মৌলিক অধিকারের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বা পরিপন্থী আইন বাতিল (বিচারবিভাগীয় পর্যালোচনা)
সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ (TL;DR)
সংবিধানের প্রধান বর্ম: যেকোনো আইন, সরকারি নির্দেশ বা পুলিশি নিয়ম যদি মৌলিক অধিকার খর্ব করে, তবে তা সরাসরি বাতিল ও অবৈধ গণ্য হবে।
সহজ নাগরিক ভাষায় অর্থ
ধারা ১৩ বিচারবিভাগকে "জুডিশিয়াল রিভিউ"-এর ক্ষমতা দেয়। সংসদ বা সরকার এমন কোনো আইন বানাতে পারে না যা নাগরিকের মৌলিক অধিকার খর্ব করে। কোর্ট তা সঙ্গে সঙ্গে বাতিল করে দেবে।
আপনার কী কী অধিকার রয়েছে?
অসাংবিধানিক পুলিশি বা সরকারি নির্দেশকে আদালতে খারিজ করার অধিকার
মৌলিক অধিকার বিরোধী যেকোনো পুরোনো ঔপনিবেশিক আইনের বাতিল হওয়া
সরকারি অর্ডিন্যান্স বা নিয়মের বিরুদ্ধে সুরক্ষার নিশ্চয়তা
ব্যতিক্রম ও যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ (সীমাবদ্ধতা)
সংবিধান সংশোধন হলেও মৌলিক কাঠামোর লঙ্ঘন করা যাবে না।
দৈনন্দিন জীবনে এটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?
এটি সরকারকে একনায়কতন্ত্র চালানো থেকে বিরত রাখে এবং নাগরিক স্বাধীনতা সুরক্ষিত রাখে।
আরও গভীরে পড়তে চান? সরকারি গেজেট পাঠ অথবা সুপ্রিম কোর্টের রায় ও গণপরিষদ বিতর্ক দেখুন: