তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে সমবায় সদস্যের অধিকার
সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ (TL;DR)
অনুচ্ছেদ 243ZO (তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে সমবায় সদস্যের অধিকার): ৯৭তম সংবিধান সংশোধনী (অংশ IX-B)-এর অধীনে সমবায় সমিতিসমূহের (Co-operative Societies) গণতান্ত্রিক পরিচালনা ও স্বচ্ছতার বিধান।
সহজ নাগরিক ভাষায় অর্থ
৯৭তম সংবিধান সংশোধনী আইন (২০১১) দ্বারা সংযোজিত অংশ IX-B (সমবায় সমিতি)-এর অনুচ্ছেদ 243ZO 'তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে সমবায় সদস্যের অধিকার' বিষয়ে বিধান দেয়। এটি কৃষি, ডেয়ারি, আবাসন (Housing Society) ও ক্রেডিট সমবায় সমিতির বোর্ড নির্বাচন, ৫ বছরের মেয়াদ, বার্ষিক সাধারণ সভা, স্বাধীন অডিট এবং প্রতিটি সদস্যের হিসাব ও তথ্য জানার অধিকারকে সাংবিধানিক সুরক্ষা দেয়।
প্রধান সাংবিধানিক বিধান ও মূল বিষয়
সাংবিধানিক বিধান (অনুচ্ছেদ 243ZO): Part IX-B-এর অধীনে 'তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে সমবায় সদস্যের অধিকার' বিষয়ে বাধ্যতামূলক আইনি নিয়ম নির্ধারণ করে
এতে 3টি দফা (Clauses)-এর মাধ্যমে স্পষ্ট পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে
অনুচ্ছেদ 243ZO লঙ্ঘন করে গৃহীত যেকোনো প্রশাসনিক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট (অনুচ্ছেদ ২২৬) বা সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ জানানো যায়
ব্যতিক্রম ও যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ (সীমাবদ্ধতা)
সুপ্রিম কোর্ট 'ভারত সরকার বনাম রাজেন্দ্র এন. শাহ (২০২১)' মামলায় মাল্টি-স্টেট সমবায় সমিতির ক্ষেত্রে অংশ IX-B বহাল রেখেছে এবং রাজ্য সমবায় সমিতির ক্ষেত্রে রাজ্যের এখতিয়ার স্পষ্ট করেছে।
দৈনন্দিন জীবনে এটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?
কোটি কোটি কৃষক, দুগ্ধ উৎপাদক, হাউজিং সোসাইটির বাসিন্দা এবং সমবায় সমিতির সদস্যদের আর্থিক কারচুপি ও স্বেচ্ছাচারিতা থেকে রক্ষা করে।
আরও গভীরে পড়তে চান? সরকারি গেজেট পাঠ অথবা সুপ্রিম কোর্টের রায় ও গণপরিষদ বিতর্ক দেখুন: