তফসিলি এলাকা ও উপজাতি এলাকার প্রশাসন (পঞ্চম ও ষষ্ঠ তফসিল)
সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ (TL;DR)
অনুচ্ছেদ 244 (তফসিলি এলাকা ও উপজাতি এলাকার প্রশাসন (পঞ্চম ও ষষ্ঠ তফসিল)): ১০ম অংশ এবং পঞ্চম ও ষষ্ঠ তফসিলের অধীনে তপশিলি ও উপজাতি এলাকার স্বায়ত্তশাসন ও ভূমি অধিকারের সুরক্ষা।
সহজ নাগরিক ভাষায় অর্থ
সংবিধানের ১০ম অংশের (তপশিলি ও উপজাতি এলাকা) অনুচ্ছেদ 244 'তফসিলি এলাকা ও উপজাতি এলাকার প্রশাসন (পঞ্চম ও ষষ্ঠ তফসিল)' নির্ধারণ করে। এটি পঞ্চম তফসিল এবং ষষ্ঠ তফসিলের (আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও মিজোরামের স্বায়ত্তশাসিত জেলা পরিষদ) মাধ্যমে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ভূমি, অরণ্য, সংস্কৃতি ও স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন রক্ষা করে।
প্রধান সাংবিধানিক বিধান ও মূল বিষয়
সাংবিধানিক বিধান (অনুচ্ছেদ 244): Part X-এর অধীনে 'তফসিলি এলাকা ও উপজাতি এলাকার প্রশাসন (পঞ্চম ও ষষ্ঠ তফসিল)' বিষয়ে বাধ্যতামূলক আইনি নিয়ম নির্ধারণ করে
এতে 2টি দফা (Clauses)-এর মাধ্যমে স্পষ্ট পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে
অনুচ্ছেদ 244 লঙ্ঘন করে গৃহীত যেকোনো প্রশাসনিক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট (অনুচ্ছেদ ২২৬) বা সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ জানানো যায়
ব্যতিক্রম ও যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ (সীমাবদ্ধতা)
সমথা বনাম অন্ধ্রপ্রদেশ রাজ্য (১৯৯৭) মামলায় সুপ্রিম কোর্ট রায় দেয় যে তপশিলি এলাকায় আদিবাসীদের জমি পঞ্চম তফসিল লঙ্ঘন করে বেসরকারি খনি কোম্পানিকে হস্তান্তর করা যাবে না।
দৈনন্দিন জীবনে এটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?
আদিবাসী ও জনজাতি সম্প্রদায়কে ভূমিচ্যুতি, শোষণ এবং সংস্কৃতি বিলুপ্তির হাত থেকে সাংবিধানিক সুরক্ষা প্রদান করে।
আরও গভীরে পড়তে চান? সরকারি গেজেট পাঠ অথবা সুপ্রিম কোর্টের রায় ও গণপরিষদ বিতর্ক দেখুন: