জরুরি অবস্থা চলাকালীন অনুচ্ছেদ ১৯-এর বিধানসমূহ স্থগিতকরণ
সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ (TL;DR)
অনুচ্ছেদ 358 (জরুরি অবস্থা চলাকালীন অনুচ্ছেদ ১৯-এর বিধানসমূহ স্থগিতকরণ): ১৮শ অংশের অধীনে জরুরি অবস্থা সংক্রান্ত বিধান এবং ক্ষমতার অপব্যবহার রোধে কঠোর সাংবিধানিক রক্ষাকবচ।
সহজ নাগরিক ভাষায় অর্থ
সংবিধানের ১৮শ অংশের (জরুরি অবস্থা সংক্রান্ত বিধান) অনুচ্ছেদ 358 'জরুরি অবস্থা চলাকালীন অনুচ্ছেদ ১৯-এর বিধানসমূহ স্থগিতকরণ' নির্ধারণ করে। এটি জাতীয় জরুরি অবস্থা (৩৫২-৩৫৪), রাজ্যকে রক্ষার কেন্দ্রীয় দায়িত্ব (৩৫৫), রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন (৩৫৬-৩৫৭), মৌলিক অধিকারের অবস্থান (৩৫৮-৩৫৯) এবং আর্থিক জরুরি অবস্থা (৩৬০) পরিচালনা করে। ৪৪তম সংবিধান সংশোধনীর (১৯৭৮) পর জরুরি অবস্থাতেও অনুচ্ছেদ ২০ ও ২১ (জীবন ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অধিকার) কখনোই স্থগিত করা যায় না।
প্রধান সাংবিধানিক বিধান ও মূল বিষয়
সাংবিধানিক বিধান (অনুচ্ছেদ 358): Part XVIII-এর অধীনে 'জরুরি অবস্থা চলাকালীন অনুচ্ছেদ ১৯-এর বিধানসমূহ স্থগিতকরণ' বিষয়ে বাধ্যতামূলক আইনি নিয়ম নির্ধারণ করে
এতে 3টি দফা (Clauses) ও 2টি উপ-দফা এবং সুনির্দিষ্ট সাংবিধানিক শর্তাবলী (Provisos) অন্তর্ভুক্ত রয়েছে
অনুচ্ছেদ 358 লঙ্ঘন করে গৃহীত যেকোনো প্রশাসনিক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট (অনুচ্ছেদ ২২৬) বা সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ জানানো যায়
ব্যতিক্রম ও যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ (সীমাবদ্ধতা)
প্রতিটি জরুরি ঘোষণার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সংসদের অনুমোদন বাধ্যতামূলক এবং এস.আর. বোম্মাই রায় (১৯৯৪) অনুযায়ী এটি আদালতের বিচারবিভাগীয় পর্যালোচনার অধীন।
দৈনন্দিন জীবনে এটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?
যুদ্ধ বা জাতীয় সংকটে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করে এবং একই সাথে নাগরিকের জীবন ও স্বাধীনতার অধিকারকে স্বৈরাচারের হাত থেকে সুরক্ষিত রাখে।
আরও গভীরে পড়তে চান? সরকারি গেজেট পাঠ অথবা সুপ্রিম কোর্টের রায় ও গণপরিষদ বিতর্ক দেখুন: