ইউনিয়ন কর্তৃক প্রদত্ত নির্দেশ পালনে বা কার্যকর করতে ব্যর্থতার ফলাফল
সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ (TL;DR)
অনুচ্ছেদ 365 (ইউনিয়ন কর্তৃক প্রদত্ত নির্দেশ পালনে বা কার্যকর করতে ব্যর্থতার ফলাফল): ১৯শ অংশের অধীনে সাংবিধানিক দায়মুক্তি, সংসদীয় কার্যবিধি প্রকাশের স্বাধীনতা এবং সাংবিধানিক সংজ্ঞার বিধান।
সহজ নাগরিক ভাষায় অর্থ
সংবিধানের ১৯শ অংশের (বিবিধ) অনুচ্ছেদ 365 'ইউনিয়ন কর্তৃক প্রদত্ত নির্দেশ পালনে বা কার্যকর করতে ব্যর্থতার ফলাফল' পরিচালনা করে। এর মধ্যে রাষ্ট্রপতি ও রাজ্যপালদের পদের মেয়াদে কার্যগত দায়মুক্তি (কিন্তু সরকারের বিরুদ্ধে নাগরিকের মামলা করার অধিকার অক্ষুণ্ণ রেখে - ৩৬১), সংসদ ও বিধানসভার সত্য কার্যবিধি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশের স্বাধীনতা (৩৬১এ), রাজন্যভাতা বা প্রিভি পার্স বিলোপ (৩৬৩এ) এবং সংবিধানের মূল সংজ্ঞাসমূহ (৩৬৬-৩৬৭) অন্তর্ভুক্ত।
প্রধান সাংবিধানিক বিধান ও মূল বিষয়
সাংবিধানিক বিধান (অনুচ্ছেদ 365): Part XIX-এর অধীনে 'ইউনিয়ন কর্তৃক প্রদত্ত নির্দেশ পালনে বা কার্যকর করতে ব্যর্থতার ফলাফল' বিষয়ে বাধ্যতামূলক আইনি নিয়ম নির্ধারণ করে
এটি একটি প্রত্যক্ষ ও সুস্পষ্ট সাংবিধানিক নির্দেশ যা সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের জন্য পালন করা বাধ্যতামূলক
এই অনুচ্ছেদের অধীনে সাংবিধানিক পদের ক্ষমতা গণতান্ত্রিক পরামর্শ ও সাংবিধানিক রীতিনীতি মেনেই প্রযুক্ত হয়
ব্যতিক্রম ও যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ (সীমাবদ্ধতা)
অনুচ্ছেদ ৩৬১-এর দ্বিতীয় শর্তাংশে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে ভারত সরকার বা রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কোনো নাগরিকের আদালতে উপযুক্ত মামলা করার অধিকার কোনোভাবেই খর্ব হবে না।
দৈনন্দিন জীবনে এটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?
সামন্ততান্ত্রিক রাজন্যভাতা বিলুপ্ত করে গণতান্ত্রিক সমতা প্রতিষ্ঠা করেছে এবং সংসদীয় সাংবাদিকতার স্বাধীনতাকে সুরক্ষা দিয়েছে।
আরও গভীরে পড়তে চান? সরকারি গেজেট পাঠ অথবা সুপ্রিম কোর্টের রায় ও গণপরিষদ বিতর্ক দেখুন: