রাষ্ট্র কর্তৃক অনুসরণীয় নীতিসমূহ (জীবিকা এবং নারী-পুরুষের সমান কাজে সমান বেতন)
সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ (TL;DR)
অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার ও সমান বেতনের সনদ: সকল নাগরিকের জন্য উপযুক্ত জীবিকা, মুষ্টিমেয় হাতে সম্পদের কেন্দ্রীভবন রোধ, নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্য "সমকাজে সমবেতন" এবং শিশুদের শোষণ থেকে রক্ষার নির্দেশ দেয়।
সহজ নাগরিক ভাষায় অর্থ
ধারা ৩৯-এ ৬টি যুগান্তকারী আর্থ-সামাজিক নীতি (দফা a থেকে f) রয়েছে যা আমাদের কর্মজীবনকে সরাসরি প্রভাবিত করে:
• ধারা ৩৯(a): নারী ও পুরুষ নির্বিশেষে সকল নাগরিকের উপযুক্ত জীবিকা অর্জনের সমান অধিকার থাকবে।
• ধারা ৩৯(b) ও (c): দেশের প্রাকৃতিক ও বৈষয়িক সম্পদের বণ্টন জনস্বার্থে হতে হবে এবং অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় সম্পদ যেন মুষ্টিমেয় কিছু মানুষের হাতে পুঞ্জীভূত না হয়।
• ধারা ৩৯(d) — সমকাজে সমবেতন (Equal Pay for Equal Work): নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্য একই কাজের বিনিময়ে সমান মজুরি বা বেতন নিশ্চিত করতে হবে।
• ধারা ৩৯(e) ও (f): শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ও শক্তির অপব্যবহার করা যাবে না, আর্থিক দায়ে কাউকে বয়স বা শক্তির অনুপযুক্ত কাজে বাধ্য করা যাবে না এবং শিশুদের স্বাধীনতা ও মর্যাদার সাথে সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার সুযোগ দিতে হবে।
• ধারা ৩৯(a): নারী ও পুরুষ নির্বিশেষে সকল নাগরিকের উপযুক্ত জীবিকা অর্জনের সমান অধিকার থাকবে।
• ধারা ৩৯(b) ও (c): দেশের প্রাকৃতিক ও বৈষয়িক সম্পদের বণ্টন জনস্বার্থে হতে হবে এবং অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় সম্পদ যেন মুষ্টিমেয় কিছু মানুষের হাতে পুঞ্জীভূত না হয়।
• ধারা ৩৯(d) — সমকাজে সমবেতন (Equal Pay for Equal Work): নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্য একই কাজের বিনিময়ে সমান মজুরি বা বেতন নিশ্চিত করতে হবে।
• ধারা ৩৯(e) ও (f): শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ও শক্তির অপব্যবহার করা যাবে না, আর্থিক দায়ে কাউকে বয়স বা শক্তির অনুপযুক্ত কাজে বাধ্য করা যাবে না এবং শিশুদের স্বাধীনতা ও মর্যাদার সাথে সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার সুযোগ দিতে হবে।
প্রধান সাংবিধানিক বিধান ও মূল বিষয়
নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্য এবং স্থায়ী কর্মীদের সমান কাজ করা অস্থায়ী/চুক্তিভিত্তিক (Contractual) কর্মীদের জন্য 'সমকাজে সমবেতন' পাওয়ার অধিকার (রণধীর সিং ও জগজিৎ সিং রায়)
সমান পারিশ্রমিক আইনের অধীনে কর্মক্ষেত্রে নারীদের মজুরি বৈষম্য থেকে আইনি সুরক্ষা
শিশুদের শোষণ এবং নৈতিক ও বৈষয়িক বঞ্চনা থেকে রক্ষার নিশ্চয়তা (ধারা ৩৯(f) — POCSO ও জুভেনাইল জাস্টিস আইনের ভিত্তি)
দেশের প্রাকৃতিক সম্পদের (খনি, জল, স্পেকট্রাম) ওপর জনগণের অধিকার যাতে একচেটিয়া আধিপত্য তৈরি না হয় (ধারা ৩৯(b)–(c))
ব্যতিক্রম ও যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ (সীমাবদ্ধতা)
সুপ্রিম কোর্ট ধারা ৩৯(d)-কে ধারা ১৪ ও ২১-এর সাথে যুক্ত করে "সমকাজে সমবেতন"-কে আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য সাংবিধানিক অধিকারে পরিণত করেছে।
দৈনন্দিন জীবনে এটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?
কোনো নারী কর্মী বা চুক্তিভিত্তিক কর্মীকে যদি সমান কাজ করিয়ে কম বেতন দেওয়া হয়, তবে ধারা ৩৯(d) হলো সমান বেতন আদায়ের প্রধান সাংবিধানিক হাতিয়ার।
আরও গভীরে পড়তে চান? সরকারি গেজেট পাঠ অথবা সুপ্রিম কোর্টের রায় ও গণপরিষদ বিতর্ক দেখুন: