জরুরি নাগরিক হেল্পলাইন

অনুচ্ছেদ 142 Part V

পূর্ণ ন্যায়বিচার (Complete Justice) প্রতিষ্ঠায় সুপ্রিম কোর্টের ডিক্রি ও আদেশ বলবৎকরণ

সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ (TL;DR)
সুপ্রিম কোর্টের "পূর্ণ ন্যায়বিচার" (Complete Justice) প্রদানের ক্ষমতা: সুপ্রিম কোর্টের সামনে বিচারাধীন যেকোনো বিষয়ে "পূর্ণ ন্যায়বিচার" নিশ্চিত করতে যেকোনো প্রয়োজনীয় আদেশ বা ডিক্রি জারির অনন্য ক্ষমতা প্রদান করে।
ধারা ১৪২(১) সুপ্রিম কোর্টকে এক অসাধারণ ক্ষমতা প্রদান করে: যেখানে প্রচলিত আইনে কোনো শূন্যতা রয়েছে বা আইনি জটিলতার কারণে ভুক্তভোগী ন্যায়বিচার পাচ্ছেন না, সেখানে সুপ্রিম কোর্ট 'পূর্ণ ন্যায়বিচার' (Complete Justice) করার জন্য যেকোনো প্রয়োজনীয় আদেশ জারি করতে পারে।

সুপ্রিম কোর্ট ধারা ১৪২ প্রয়োগ করে বহু যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে—যেমন সংসদ আইন তৈরির আগেই কর্মক্ষেত্রে যৌন হেনস্থা রোধে 'বিশাখা নির্দেশিকা (১৯৯৭)' জারি করা, ভোপাল গ্যাস দুর্ঘটনার ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া, সাক্ষী সুরক্ষা প্রকল্প চালু করা এবং পারস্পরিক সম্মতিতে বিবাহবিচ্ছেদের ক্ষেত্রে ৬ মাসের অপেক্ষার সময়সীমা মওকুফ করে দ্রুত নিষ্পত্তি করা (শিল্পা শৈলেশ রায়, ২০২৩)।
আইনের কারিগরি জটিলতার কারণে কোনো নির্দোষ ব্যক্তি অবিচারের শিকার হলে সুপ্রিম কোর্টের কাছে 'পূর্ণ ন্যায়বিচার' পাওয়ার অধিকার
আইনের শূন্যতা পূরণে নাগরিক সুরক্ষায় অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশিকা জারির ক্ষমতা (যেমন সাক্ষী সুরক্ষা প্রকল্প)
নিরপেক্ষ বিচারের স্বার্থে যেকোনো মামলা এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে স্থানান্তর বা CBI/SIT তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা
সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন (১৯৯৮) রায় অনুযায়ী, ধারা ১৪২-এর ক্ষমতা পরিপূরক; এটি কোনো মৌলিক অধিকার খর্ব করতে বা সংসদের সুস্পষ্ট বৈধ আইনের পরিপন্থী আদেশ দিতে ব্যবহৃত হয় না।
নিশ্চিত করে যে ভারতে আইনের ফাঁকফোকরের কারণে ন্যায়বিচার যেন কখনো পরাজিত না হয়; সর্বোচ্চ আদালতের হাতে সর্বদা প্রকৃত সুবিচার করার চাবিকাঠি থাকে।
আরও গভীরে পড়তে চান? সরকারি গেজেট পাঠ অথবা সুপ্রিম কোর্টের রায় ও গণপরিষদ বিতর্ক দেখুন:
Copied to clipboard!
EN-IN • STUDIO VOICE
Preparing studio neural voice...