জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্য সংক্রান্ত অস্থায়ী বিধান (২০১৯ সালে রদকৃত)
সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ (TL;DR)
মূলত একবিংশ অংশের (Part XXI) অধীনে জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যকে অস্থায়ী বিশেষ স্বায়ত্তশাসিত মর্যাদা প্রদান করেছিল; ২০১৯ সালের আগস্টে রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক আদেশ (C.O. ২৭২ ও ২৭৩) এবং জম্মু ও কাশ্মীর পুনর্গঠন আইনের মাধ্যমে এটি কার্যকরভাবে রদ করা হয়, যা ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের ৫ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ সর্বসম্মতিক্রমে বৈধ ঘোষণা করে।
সহজ নাগরিক ভাষায় অর্থ
ভারতের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৭০ ১৯৪৭ সালের অক্টোবরে মহারাজা হরি সিং স্বাক্ষরিত অন্তর্ভুক্তি দলিলের ভিত্তিতে ১৯৪৯ সালে সংবিধানে একটি 'অস্থায়ী বিধান' হিসেবে যুক্ত হয়।
সাংবিধানিক প্রেক্ষাপট:
১. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ভারতীয় সংসদের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা প্রতিরক্ষা, বৈদেশিক বিষয়, যোগাযোগ ও অর্থ সংক্রান্ত বিষয়ে সীমাবদ্ধ ছিল। অন্যান্য বিষয়ে রাজ্য সরকারের সম্মতি প্রয়োজন হতো এবং রাজ্যের নিজস্ব সংবিধান ছিল।
২. ২০১৯ সালের যুগান্তকারী পরিবর্তন: ২০১৯ সালের ৫-৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতি সাংবিধানিক আদেশ C.O. ২৭২ ও ২৭৩ জারি করে ৩৭০ অনুচ্ছেদ কার্যকরভাবে রদ করেন এবং ভারতের সম্পূর্ণ সংবিধান জম্মু ও কাশ্মীরে বলবৎ করেন।
৩. রাজ্য পুনর্গঠন: সংসদ ২০১৯ সালে পুনর্গঠন আইন পাস করে রাজ্যটিকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিভক্ত করে—জম্মু ও কাশ্মীর (বিধানসভা সহ) এবং লাদাখ (বিধানসভা ব্যতীত)।
৪. সুপ্রিম কোর্টের ৫ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চের ঐতিহাসিক রায় (১১ ডিসেম্বর ২০২৩): প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ সর্বসম্মতিক্রমে ৩৭০ রদকে সম্পূর্ণ বৈধ ঘোষণা করে এবং পর্যবেক্ষণ করে যে জম্মু-কাশ্মীরের কোনো পৃথক অভ্যন্তরীণ সার্বভৌমত্ব ছিল না এবং ৩৭০ সর্বদাই একটি অস্থায়ী ব্যবস্থা ছিল।
সাংবিধানিক প্রেক্ষাপট:
১. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ভারতীয় সংসদের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা প্রতিরক্ষা, বৈদেশিক বিষয়, যোগাযোগ ও অর্থ সংক্রান্ত বিষয়ে সীমাবদ্ধ ছিল। অন্যান্য বিষয়ে রাজ্য সরকারের সম্মতি প্রয়োজন হতো এবং রাজ্যের নিজস্ব সংবিধান ছিল।
২. ২০১৯ সালের যুগান্তকারী পরিবর্তন: ২০১৯ সালের ৫-৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতি সাংবিধানিক আদেশ C.O. ২৭২ ও ২৭৩ জারি করে ৩৭০ অনুচ্ছেদ কার্যকরভাবে রদ করেন এবং ভারতের সম্পূর্ণ সংবিধান জম্মু ও কাশ্মীরে বলবৎ করেন।
৩. রাজ্য পুনর্গঠন: সংসদ ২০১৯ সালে পুনর্গঠন আইন পাস করে রাজ্যটিকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিভক্ত করে—জম্মু ও কাশ্মীর (বিধানসভা সহ) এবং লাদাখ (বিধানসভা ব্যতীত)।
৪. সুপ্রিম কোর্টের ৫ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চের ঐতিহাসিক রায় (১১ ডিসেম্বর ২০২৩): প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ সর্বসম্মতিক্রমে ৩৭০ রদকে সম্পূর্ণ বৈধ ঘোষণা করে এবং পর্যবেক্ষণ করে যে জম্মু-কাশ্মীরের কোনো পৃথক অভ্যন্তরীণ সার্বভৌমত্ব ছিল না এবং ৩৭০ সর্বদাই একটি অস্থায়ী ব্যবস্থা ছিল।
প্রধান সাংবিধানিক বিধান ও মূল বিষয়
সকল মৌলিক অধিকার: জম্মু-কাশ্মীরের প্রতিটি নাগরিক সংবিধানের ৩য় অংশের সকল মৌলিক অধিকার (২১এ শিক্ষার অধিকার, তথ্য জানার অধিকার RTI, এবং সংরক্ষণ) সমানভাবে ভোগ করেন
একক জাতীয় নাগরিকত্ব: সকল অধিবাসীর জন্য অভিন্ন ভারতীয় নাগরিকত্ব নিশ্চিত (পূর্বতন অনুচ্ছেদ ৩৫এ বাতিল)
লিঙ্গ সমতা: রাজ্যের বাইরে বিবাহ করা নারীদের সম্পত্তির পূর্ণ উত্তরাধিকার সুরক্ষিত
কেন্দ্রীয় আইনের সুরক্ষা: পকসো (POCSO), দুর্নীতি দমন এবং তফসিলি জাতি/উপজাতি নির্যাতন প্রতিরোধ আইন এখন সম্পূর্ণরূপে বলবৎ
ব্যতিক্রম ও যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ (সীমাবদ্ধতা)
সুপ্রিম কোর্ট নিশ্চিত করেছে যে রাষ্ট্রপতি শাসনের অধীনে কেন্দ্রীয় ক্ষমতা সীমাহীন নয় এবং সাংবিধানিক ভারসাম্য রক্ষা করা বাধ্যতামূলক। আদালত গণতান্ত্রিক অধিকার ও পূর্ণ রাজ্য ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
দৈনন্দিন জীবনে এটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?
অনুচ্ছেদ ৩৭০-এর বিবর্তন ভারতীয় যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা, জাতীয় সংহতি ও সংবিধানের সার্বভৌম প্রাধান্যের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ ঐতিহাসিক দলিল।
আরও গভীরে পড়তে চান? সরকারি গেজেট পাঠ অথবা সুপ্রিম কোর্টের রায় ও গণপরিষদ বিতর্ক দেখুন: