আইনের অভিযোজন করার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা
সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ (TL;DR)
অনুচ্ছেদ 372A (আইনের অভিযোজন করার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা): ২১শ অংশের অধীনে বিভিন্ন রাজ্যের আঞ্চলিক উন্নয়ন, জনজাতি সুরক্ষা এবং পরিবর্তনকালীন সাংবিধানিক বিধান।
সহজ নাগরিক ভাষায় অর্থ
সংবিধানের ২১শ অংশের অনুচ্ছেদ 372A 'আইনের অভিযোজন করার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা' নির্ধারণ করে। এটি বিভিন্ন রাজ্যের (অনুচ্ছেদ ৩৭১ সিরিজ: মহারাষ্ট্র, গুজরাট, নাগাল্যান্ড, আসাম, মণিপুর, অন্ধ্রপ্রদেশ, সিকিম, মিজোরাম, অরুণাচল প্রদেশ, গোয়া ইত্যাদি) আঞ্চলিক উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক সুরক্ষা, অথবা ১৯৫০ সালে সংবিধান প্রবর্তনের সময় বিদ্যমান আইন ও বিচারিক প্রতিষ্ঠানের ধারাবাহিকতা (অনুচ্ছেদ ৩৭২-৩৯২) পরিচালনা করে।
প্রধান সাংবিধানিক বিধান ও মূল বিষয়
সাংবিধানিক বিধান (অনুচ্ছেদ 372A): Part XXI-এর অধীনে 'আইনের অভিযোজন করার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা' বিষয়ে বাধ্যতামূলক আইনি নিয়ম নির্ধারণ করে
এতে 3টি দফা (Clauses)-এর মাধ্যমে স্পষ্ট পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে
এই অনুচ্ছেদের অধীনে সাংবিধানিক পদের ক্ষমতা গণতান্ত্রিক পরামর্শ ও সাংবিধানিক রীতিনীতি মেনেই প্রযুক্ত হয়
ব্যতিক্রম ও যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ (সীমাবদ্ধতা)
অনুচ্ছেদ ৩৭২(১) অনুযায়ী সংবিধান-পূর্ববর্তী আইনগুলি কেবল ততক্ষণই বলবৎ থাকে যতক্ষণ না তা সংবিধানের মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী হয়।
দৈনন্দিন জীবনে এটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?
ভারতের আঞ্চলিক বৈচিত্র্যকে সম্মান জানায় এবং আইনি ব্যবস্থার নিরবচ্ছিন্ন ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করে।
আরও গভীরে পড়তে চান? সরকারি গেজেট পাঠ অথবা সুপ্রিম কোর্টের রায় ও গণপরিষদ বিতর্ক দেখুন: