উপ-রাষ্ট্রপতি পদাধিকারবলে রাজ্যসভার চেয়ারম্যান হবেন
সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ (TL;DR)
অনুচ্ছেদ 64 (উপ-রাষ্ট্রপতি পদাধিকারবলে রাজ্যসভার চেয়ারম্যান হবেন): ৫ম অংশের অধীনে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী বিভাগ (রাষ্ট্রপতি, উপ-রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা) সংক্রান্ত বিধান।
সহজ নাগরিক ভাষায় অর্থ
সংবিধানের ৫ম অংশের (কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী) অনুচ্ছেদ 64 'উপ-রাষ্ট্রপতি পদাধিকারবলে রাজ্যসভার চেয়ারম্যান হবেন' নির্ধারণ করে। এটি রাষ্ট্রপতি, উপ-রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নির্বাচন, পদের মেয়াদ, শপথ, যোগ্যতা ও সাংবিধানিক দায়িত্বের সুনির্দিষ্ট নিয়মাবলী স্থাপন করে।
প্রধান সাংবিধানিক বিধান ও মূল বিষয়
সাংবিধানিক বিধান (অনুচ্ছেদ 64): Part V-এর অধীনে 'উপ-রাষ্ট্রপতি পদাধিকারবলে রাজ্যসভার চেয়ারম্যান হবেন' বিষয়ে বাধ্যতামূলক আইনি নিয়ম নির্ধারণ করে
এটি একটি প্রত্যক্ষ ও সুস্পষ্ট সাংবিধানিক নির্দেশ যা সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের জন্য পালন করা বাধ্যতামূলক
এই অনুচ্ছেদের অধীনে সাংবিধানিক পদের ক্ষমতা গণতান্ত্রিক পরামর্শ ও সাংবিধানিক রীতিনীতি মেনেই প্রযুক্ত হয়
ব্যতিক্রম ও যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ (সীমাবদ্ধতা)
অনুচ্ছেদ ৭৪ ও ৭৫(৩) অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি লোকসভার কাছে দায়বদ্ধ মন্ত্রিসভার পরামর্শ অনুসারেই তাঁর কার্যনির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করেন।
দৈনন্দিন জীবনে এটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?
দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদগুলিতে স্বচ্ছ নির্বাচন, জবাবদিহিতা এবং গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করে।
আরও গভীরে পড়তে চান? সরকারি গেজেট পাঠ অথবা সুপ্রিম কোর্টের রায় ও গণপরিষদ বিতর্ক দেখুন: