সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 198 'অর্থ বিল সংক্রান্ত বিশেষ পদ্ধতি' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 199 'রাজ্য আইনসভায় "অর্থ বিল" (Money Bill)-এর সংজ্ঞা' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 200 'বিলে রাজ্যপালের সম্মতি প্রদান' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 201 'রাষ্ট্রপতির বিবেচনার জন্য সংরক্ষিত বিল' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 202 'বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি (রাজ্য বাজেট)' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 203 'প্রাক্কলন সংক্রান্ত আইনসভার পদ্ধতি' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 204 'নির্দিষ্টকরণ বিল (Appropriation Bills)' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 205 'অতিরিক্ত বা সম্পূরক অনুদান' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 206 'ভোট অন অ্যাকাউন্ট, ভোট অফ ক্রেডিট এবং ব্যতিক্রমী অনুদান' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 207 'আর্থিক বিল সংক্রান্ত বিশেষ বিধান' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 208 'কার্যপ্রণালী বিধি' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 209 'রাজ্য আইনসভায় আর্থিক কার্যাবলী সংক্রান্ত পদ্ধতির আইনি নিয়ন্ত্রণ' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 210 'রাজ্য আইনসভায় ব্যবহৃত ভাষা' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 211 'আইনসভায় আলোচনার ওপর বিধিনিষেধ' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 212 'আইনসভার কার্যধারা সম্পর্কে আদালতের তদন্ত না করা' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের Part VI-এ অবস্থিত অনুচ্ছেদ 213 'বিধানসভার অধিবেশন না থাকাকালীন অধ্যাদেশ (Ordinance) জারির রাজ্যপালের ক্ষমতা' সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট সাংবিধানিক নিয়ম ও পদ্ধতি নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৫ম অধ্যায়ে অনুচ্ছেদ 214 রাজ্যের হাইকোর্টে 'রাজ্যসমূহের জন্য হাইকোর্ট' বিষয়ে বিধান দেয়। এটি হাইকোর্টের গঠন, বিচারপতিদের নিয়োগ ও পদের নিরাপত্তা, কোর্ট অব রেকর্ড ক্ষমতা (২১৫), রিট জারির ক্ষমতা (২২৬) এবং রাজ্যের সকল নিম্ন আদালতের তদারকি (২২৭) নিশ্চিত করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৫ম অধ্যায়ে অনুচ্ছেদ 215 রাজ্যের হাইকোর্টে 'হাইকোর্টসমূহ অভিলেখ আদালত (Court of Record) হবে' বিষয়ে বিধান দেয়। এটি হাইকোর্টের গঠন, বিচারপতিদের নিয়োগ ও পদের নিরাপত্তা, কোর্ট অব রেকর্ড ক্ষমতা (২১৫), রিট জারির ক্ষমতা (২২৬) এবং রাজ্যের সকল নিম্ন আদালতের তদারকি (২২৭) নিশ্চিত করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৫ম অধ্যায়ে অনুচ্ছেদ 216 রাজ্যের হাইকোর্টে 'হাইকোর্টের গঠন' বিষয়ে বিধান দেয়। এটি হাইকোর্টের গঠন, বিচারপতিদের নিয়োগ ও পদের নিরাপত্তা, কোর্ট অব রেকর্ড ক্ষমতা (২১৫), রিট জারির ক্ষমতা (২২৬) এবং রাজ্যের সকল নিম্ন আদালতের তদারকি (২২৭) নিশ্চিত করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৫ম অধ্যায়ে অনুচ্ছেদ 217 রাজ্যের হাইকোর্টে 'হাইকোর্টের বিচারপতির নিয়োগ ও পদের শর্তাবলী' বিষয়ে বিধান দেয়। এটি হাইকোর্টের গঠন, বিচারপতিদের নিয়োগ ও পদের নিরাপত্তা, কোর্ট অব রেকর্ড ক্ষমতা (২১৫), রিট জারির ক্ষমতা (২২৬) এবং রাজ্যের সকল নিম্ন আদালতের তদারকি (২২৭) নিশ্চিত করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৫ম অধ্যায়ে অনুচ্ছেদ 218 রাজ্যের হাইকোর্টে 'সুপ্রিম কোর্ট সংক্রান্ত নির্দিষ্ট কিছু বিধানের হাইকোর্টে প্রয়োগ' বিষয়ে বিধান দেয়। এটি হাইকোর্টের গঠন, বিচারপতিদের নিয়োগ ও পদের নিরাপত্তা, কোর্ট অব রেকর্ড ক্ষমতা (২১৫), রিট জারির ক্ষমতা (২২৬) এবং রাজ্যের সকল নিম্ন আদালতের তদারকি (২২৭) নিশ্চিত করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৫ম অধ্যায়ে অনুচ্ছেদ 219 রাজ্যের হাইকোর্টে 'হাইকোর্টের বিচারপতিদের শপথ বা প্রতিজ্ঞা গ্রহণ' বিষয়ে বিধান দেয়। এটি হাইকোর্টের গঠন, বিচারপতিদের নিয়োগ ও পদের নিরাপত্তা, কোর্ট অব রেকর্ড ক্ষমতা (২১৫), রিট জারির ক্ষমতা (২২৬) এবং রাজ্যের সকল নিম্ন আদালতের তদারকি (২২৭) নিশ্চিত করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৫ম অধ্যায়ে অনুচ্ছেদ 220 রাজ্যের হাইকোর্টে 'স্থায়ী বিচারপতি থাকার পর আইন পেশায় (ওকালতি) বিধিনিষেধ' বিষয়ে বিধান দেয়। এটি হাইকোর্টের গঠন, বিচারপতিদের নিয়োগ ও পদের নিরাপত্তা, কোর্ট অব রেকর্ড ক্ষমতা (২১৫), রিট জারির ক্ষমতা (২২৬) এবং রাজ্যের সকল নিম্ন আদালতের তদারকি (২২৭) নিশ্চিত করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৫ম অধ্যায়ে অনুচ্ছেদ 221 রাজ্যের হাইকোর্টে 'হাইকোর্টের বিচারপতিদের বেতন ও ভাতা' বিষয়ে বিধান দেয়। এটি হাইকোর্টের গঠন, বিচারপতিদের নিয়োগ ও পদের নিরাপত্তা, কোর্ট অব রেকর্ড ক্ষমতা (২১৫), রিট জারির ক্ষমতা (২২৬) এবং রাজ্যের সকল নিম্ন আদালতের তদারকি (২২৭) নিশ্চিত করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৫ম অধ্যায়ে অনুচ্ছেদ 222 রাজ্যের হাইকোর্টে 'এক হাইকোর্ট থেকে অন্য হাইকোর্টে বিচারপতির বদলি' বিষয়ে বিধান দেয়। এটি হাইকোর্টের গঠন, বিচারপতিদের নিয়োগ ও পদের নিরাপত্তা, কোর্ট অব রেকর্ড ক্ষমতা (২১৫), রিট জারির ক্ষমতা (২২৬) এবং রাজ্যের সকল নিম্ন আদালতের তদারকি (২২৭) নিশ্চিত করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৫ম অধ্যায়ে অনুচ্ছেদ 223 রাজ্যের হাইকোর্টে 'ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির নিয়োগ' বিষয়ে বিধান দেয়। এটি হাইকোর্টের গঠন, বিচারপতিদের নিয়োগ ও পদের নিরাপত্তা, কোর্ট অব রেকর্ড ক্ষমতা (২১৫), রিট জারির ক্ষমতা (২২৬) এবং রাজ্যের সকল নিম্ন আদালতের তদারকি (২২৭) নিশ্চিত করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৫ম অধ্যায়ে অনুচ্ছেদ 224 রাজ্যের হাইকোর্টে 'অতিরিক্ত ও ভারপ্রাপ্ত বিচারপতিদের নিয়োগ' বিষয়ে বিধান দেয়। এটি হাইকোর্টের গঠন, বিচারপতিদের নিয়োগ ও পদের নিরাপত্তা, কোর্ট অব রেকর্ড ক্ষমতা (২১৫), রিট জারির ক্ষমতা (২২৬) এবং রাজ্যের সকল নিম্ন আদালতের তদারকি (২২৭) নিশ্চিত করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৫ম অধ্যায়ে অনুচ্ছেদ 224A রাজ্যের হাইকোর্টে 'হাইকোর্টের অধিবেশনে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের নিয়োগ' বিষয়ে বিধান দেয়। এটি হাইকোর্টের গঠন, বিচারপতিদের নিয়োগ ও পদের নিরাপত্তা, কোর্ট অব রেকর্ড ক্ষমতা (২১৫), রিট জারির ক্ষমতা (২২৬) এবং রাজ্যের সকল নিম্ন আদালতের তদারকি (২২৭) নিশ্চিত করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৫ম অধ্যায়ে অনুচ্ছেদ 225 রাজ্যের হাইকোর্টে 'বিদ্যমান হাইকোর্টসমূহের এক্তিয়ার' বিষয়ে বিধান দেয়। এটি হাইকোর্টের গঠন, বিচারপতিদের নিয়োগ ও পদের নিরাপত্তা, কোর্ট অব রেকর্ড ক্ষমতা (২১৫), রিট জারির ক্ষমতা (২২৬) এবং রাজ্যের সকল নিম্ন আদালতের তদারকি (২২৭) নিশ্চিত করে।
ধারা ২২৬ হলো সাধারণ ভারতীয় নাগরিকের দৈনন্দিন জীবনে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত সাংবিধানিক অস্ত্র, কারণ এর জন্য দিল্লিতে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার প্রয়োজন নেই—নিজের রাজ্যের হাইকোর্টেই তাৎক্ষণিক আবেদন করা যায়। এর অধীনে হাইকোর্ট তার এক্তিয়ারভুক্ত যেকোনো পুলিশ অফিসার, জেলাশাসক, পুরসভা, বিদ্যুৎ পর্ষদ বা সরকারি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ৫টি রিট (হেবিয়াস কর্পাস, ম্যান্ডামাস, প্রোহিবিশন, সার্টিওরারি ও কো ওয়ারেন্টো) বা নির্দেশ জারি করতে পারে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আইনি পরিধির দিক থেকে ধারা ২২৬-এর ব্যাপ্তি ধারা ৩২-এর চেয়েও প্রশস্ত: সুপ্রিম কোর্ট ধারা ৩২-এ কেবল 'মৌলিক অধিকার' লঙ্ঘিত হলেই রিট জারি করে, কিন্তু হাইকোর্ট ধারা ২২৬-এ মৌলিক অধিকারের পাশাপাশি 'অন্য যেকোনো উদ্দেশ্যে' (For any other purpose)—যেমন সম্পত্তির অধিকার (ধারা ৩০০A), বেআইনি বুলডোজার উচ্ছেদ, চাকরি বা পেনশন বিরোধ, অন্যায় ট্যাক্স নোটিশ বা মিথ্যে FIR বাতিলের ক্ষেত্রেও তাৎক্ষণিক রিট ও স্থগিতাদেশ (Stay) দিতে পারে।