অনুচ্ছেদ ৩৫২ জাতীয় জরুরি অবস্থা সংক্রান্ত বিধান। ১৯৭৫ সালের জরুরি অবস্থার তিক্ত অভিজ্ঞতার পর ৪৪তম সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে এতে কড়া সুরক্ষাকবচ যুক্ত করা হয়: শুধুমাত্র সম্পূর্ণ মন্ত্রিসভার লিখিত পরামর্শে এটি জারি হতে পারে এবং ১ মাসের মধ্যে সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ বিশেষ সংখ্যাগরিষ্ঠতার অনুমোদন আবশ্যক।
সংবিধানের ১৮শ অংশের (জরুরি অবস্থা সংক্রান্ত বিধান) অনুচ্ছেদ 353 'জরুরি অবস্থা ঘোষণার প্রভাব' নির্ধারণ করে। এটি জাতীয় জরুরি অবস্থা (৩৫২-৩৫৪), রাজ্যকে রক্ষার কেন্দ্রীয় দায়িত্ব (৩৫৫), রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন (৩৫৬-৩৫৭), মৌলিক অধিকারের অবস্থান (৩৫৮-৩৫৯) এবং আর্থিক জরুরি অবস্থা (৩৬০) পরিচালনা করে। ৪৪তম সংবিধান সংশোধনীর (১৯৭৮) পর জরুরি অবস্থাতেও অনুচ্ছেদ ২০ ও ২১ (জীবন ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অধিকার) কখনোই স্থগিত করা যায় না।
সংবিধানের ১৮শ অংশের (জরুরি অবস্থা সংক্রান্ত বিধান) অনুচ্ছেদ 354 'জরুরি অবস্থা চলাকালীন রাজস্ব বণ্টন সংক্রান্ত বিধানের প্রয়োগ' নির্ধারণ করে। এটি জাতীয় জরুরি অবস্থা (৩৫২-৩৫৪), রাজ্যকে রক্ষার কেন্দ্রীয় দায়িত্ব (৩৫৫), রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন (৩৫৬-৩৫৭), মৌলিক অধিকারের অবস্থান (৩৫৮-৩৫৯) এবং আর্থিক জরুরি অবস্থা (৩৬০) পরিচালনা করে। ৪৪তম সংবিধান সংশোধনীর (১৯৭৮) পর জরুরি অবস্থাতেও অনুচ্ছেদ ২০ ও ২১ (জীবন ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অধিকার) কখনোই স্থগিত করা যায় না।
সংবিধানের ১৮শ অংশের (জরুরি অবস্থা সংক্রান্ত বিধান) অনুচ্ছেদ 355 'বহিঃশত্রুর আক্রমণ ও অভ্যন্তরীণ গোলযোগ থেকে রাজ্যকে রক্ষা করার ইউনিয়নের কর্তব্য' নির্ধারণ করে। এটি জাতীয় জরুরি অবস্থা (৩৫২-৩৫৪), রাজ্যকে রক্ষার কেন্দ্রীয় দায়িত্ব (৩৫৫), রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন (৩৫৬-৩৫৭), মৌলিক অধিকারের অবস্থান (৩৫৮-৩৫৯) এবং আর্থিক জরুরি অবস্থা (৩৬০) পরিচালনা করে। ৪৪তম সংবিধান সংশোধনীর (১৯৭৮) পর জরুরি অবস্থাতেও অনুচ্ছেদ ২০ ও ২১ (জীবন ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অধিকার) কখনোই স্থগিত করা যায় না।
অনুচ্ছেদ ৩৫৬ রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির ক্ষমতা প্রদান করে। অতীতে রাজনৈতিকভাবে বিরোধী দলের নির্বাচিত সরকার ফেলে দেওয়ার জন্য এর অপব্যবহার হতো। সুপ্রিম কোর্টের ৯ বিচারপতির ঐতিহাসিক 'এস.আর. বোম্মাই (১৯৯৪)' রায় স্পষ্ট করে দেয় যে সংখ্যাগরিষ্ঠতা যাচাই কেবল বিধানসভার ভেতরেই হতে হবে এবং বেআইনিভাবে বরখাস্ত সরকার আদালত পুনর্বহাল করতে পারে।
সংবিধানের ১৮শ অংশের (জরুরি অবস্থা সংক্রান্ত বিধান) অনুচ্ছেদ 357 'অনুচ্ছেদ ৩৫৬-এর অধীনে জারি করা ঘোষণার অধীনে আইন প্রণয়ন ক্ষমতার প্রয়োগ' নির্ধারণ করে। এটি জাতীয় জরুরি অবস্থা (৩৫২-৩৫৪), রাজ্যকে রক্ষার কেন্দ্রীয় দায়িত্ব (৩৫৫), রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন (৩৫৬-৩৫৭), মৌলিক অধিকারের অবস্থান (৩৫৮-৩৫৯) এবং আর্থিক জরুরি অবস্থা (৩৬০) পরিচালনা করে। ৪৪তম সংবিধান সংশোধনীর (১৯৭৮) পর জরুরি অবস্থাতেও অনুচ্ছেদ ২০ ও ২১ (জীবন ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অধিকার) কখনোই স্থগিত করা যায় না।
সংবিধানের ১৮শ অংশের (জরুরি অবস্থা সংক্রান্ত বিধান) অনুচ্ছেদ 358 'জরুরি অবস্থা চলাকালীন অনুচ্ছেদ ১৯-এর বিধানসমূহ স্থগিতকরণ' নির্ধারণ করে। এটি জাতীয় জরুরি অবস্থা (৩৫২-৩৫৪), রাজ্যকে রক্ষার কেন্দ্রীয় দায়িত্ব (৩৫৫), রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন (৩৫৬-৩৫৭), মৌলিক অধিকারের অবস্থান (৩৫৮-৩৫৯) এবং আর্থিক জরুরি অবস্থা (৩৬০) পরিচালনা করে। ৪৪তম সংবিধান সংশোধনীর (১৯৭৮) পর জরুরি অবস্থাতেও অনুচ্ছেদ ২০ ও ২১ (জীবন ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অধিকার) কখনোই স্থগিত করা যায় না।
সংবিধানের ১৮শ অংশের (জরুরি অবস্থা সংক্রান্ত বিধান) অনুচ্ছেদ 359 'জরুরি অবস্থা চলাকালীন তৃতীয় ভাগের অধিকারসমূহ বলবৎ স্থগিতকরণ (অনুচ্ছেদ ২০ ও ২১ ব্যতীত)' নির্ধারণ করে। এটি জাতীয় জরুরি অবস্থা (৩৫২-৩৫৪), রাজ্যকে রক্ষার কেন্দ্রীয় দায়িত্ব (৩৫৫), রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন (৩৫৬-৩৫৭), মৌলিক অধিকারের অবস্থান (৩৫৮-৩৫৯) এবং আর্থিক জরুরি অবস্থা (৩৬০) পরিচালনা করে। ৪৪তম সংবিধান সংশোধনীর (১৯৭৮) পর জরুরি অবস্থাতেও অনুচ্ছেদ ২০ ও ২১ (জীবন ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অধিকার) কখনোই স্থগিত করা যায় না।
সংবিধানের ১৮শ অংশের (জরুরি অবস্থা সংক্রান্ত বিধান) অনুচ্ছেদ 360 'আর্থিক জরুরি অবস্থা সংক্রান্ত বিধান (Financial Emergency)' নির্ধারণ করে। এটি জাতীয় জরুরি অবস্থা (৩৫২-৩৫৪), রাজ্যকে রক্ষার কেন্দ্রীয় দায়িত্ব (৩৫৫), রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন (৩৫৬-৩৫৭), মৌলিক অধিকারের অবস্থান (৩৫৮-৩৫৯) এবং আর্থিক জরুরি অবস্থা (৩৬০) পরিচালনা করে। ৪৪তম সংবিধান সংশোধনীর (১৯৭৮) পর জরুরি অবস্থাতেও অনুচ্ছেদ ২০ ও ২১ (জীবন ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অধিকার) কখনোই স্থগিত করা যায় না।
পাবলিক ডোমেইন (Public Domain) ও বিধিবদ্ধ প্রামাণিকতা বিজ্ঞপ্তি
ভারতীয় কপিরাইট আইন, ১৯৫৭-এর ধারা ৫২(১)(কিউ) অনুযায়ী ভারতের সংবিধান, সংসদের আইন, সরকারি গেজেট এবং সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্টের রায়সমূহ পাবলিক ডোমেইনের (Public Domain) অন্তর্ভুক্ত। এই পাঠ্যটি ভারত সরকারের আইন ও বিচার মন্ত্রকের লেজিসলেটিভ ডিপার্টমেন্টের (India Code) সরকারি আর্কাইভ থেকে সংগৃহীত।