জরুরি নাগরিক হেল্পলাইন

নাগরিক সুরক্ষা কবচ • বাস্তব আইনি অধিকার

বাস্তব পরিস্থিতিতে আপনার পূর্ণাঙ্গ আইনি অধিকার

ট্রাফিক পুলিশ, তল্লাশি, মোবাইল চেক, নারী সুরক্ষা, বাড়িভাড়া বা জরুরি হাসপাতাল — আইন কী বলে এবং মুখে কী বলতে হবে তা জানুন।

নারী সুরক্ষা ও অধিকার

দেখানো হচ্ছে 9–14 মোট 14 অধিকার
রিসেট
📄 নাগরিক পকেট লিগ্যাল শিল্ড (অফলাইন প্রিন্ট / সেভ) বাইকের চাবি, ফোন চেক, নারী গ্রেফতার ও জিরো এফআইআর-এর ১০টি শীর্ষ অধিকার প্রিন্ট করে নিজের কাছে রাখুন।
পকেট কার্ড দেখুন →
Maternity Rights ⚠️ TWO NURSING BREAKS DAILY UNTIL CHILD IS 15 MONTHS 🌐 দেশজুড়ে প্রযোজ্য

মাতৃত্বকালীন ছুটির পর কর্মস্থলে ফেরা মা: নার্সিং ব্রেক ও ক্রেশ সুবিধা কি নিয়োগকর্তার জন্য বাধ্যতামূলক?

বাধ্যতামূলক! মাতৃত্বকালীন সুবিধা আইনের ১১ ধারা অনুযায়ী সন্তানের ১৫ মাস বয়স পর্যন্ত কর্মজীবী মা সাধারণ বিরতির বাইরে প্রতিদিন দুটি পেইড নার্সিং ব্রেক পাওয়ার আইনগত অধিকার রাখেন।

প্রাসঙ্গিক আইন ও ধারা: Section 11 & 11A Maternity Benefit (Amendment) Act, 2017
সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ: Article 42 (Provision for just and humane conditions of work and maternity relief), Article 21 (Child nutrition & maternal health) (অনুচ্ছেদ 42 →) (অনুচ্ছেদ 21 →)
কর্মকর্তাকে শান্ত ভাষায় যা বলবেন:
🛡️ অনুচ্ছেদ 42, 21 কবচ
“অফিসার, শ্রদ্ধার সাথে জানাচ্ছি, Section 11 & 11A Maternity Benefit (Amendment) Act, 2017 অনুযায়ী, শিশুর ১৫ মাস বয়স পর্যন্ত দৈনিক ২টি নার্সিং ব্রেক বাধ্যতামূলক এবং এর জন্য বেতন কাটা যাবে না। সংবিধানের Article 42 (Provision for just and humane conditions of work and maternity relief), Article 21 (Child nutrition & maternal health) অনুযায়ী ন্যায্য পারিশ্রমিক বা নথিপত্র আটকে রাখা অসাংবিধানিক; অনুগ্রহ করে নিয়মমাফিক নিষ্পত্তি করুন।”
আইন কী বলে
  • • ১. শিশুর ১৫ মাস বয়স পর্যন্ত দৈনিক ২টি নার্সিং ব্রেক বাধ্যতামূলক এবং এর জন্য বেতন কাটা যাবে না।
  • • ২. ৫০ জনের বেশি কর্মীযুক্ত প্রতিষ্ঠানে অফিসের ৫০০ মিটারের মধ্যে ক্রেশ (শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র) রাখা বাধ্যতামূলক।
  • • ৩. মা কর্মসময়ে দিনে সর্বোচ্চ ৪ বার ক্রেশে গিয়ে শিশুকে স্তন্যপান করানোর অধিকার রাখেন।
ঘটনাস্থলে শান্তভাবে কী বলবেন ও করবেন
  1. ১. কাজে যোগদানের দিন মাতৃত্ব সুবিধা আইনের ১১ ধারা উল্লেখ করে এইচআর-কে ইমেল পাঠান।
  2. ২. আপনার সুবিধাজনক দুটি নার্সিং ব্রেকের সময়সীমা লিখিতভাবে জানান।
  3. ৩. কোম্পানি নিয়ম অমান্য করলে কেন্দ্রীয় বা রাজ্য শ্রম কমিশনারের কাছে অভিযোগ দায়ের করুন।
  4. ৪. মাতৃত্বকালীন অধিকার লঙ্ঘনে কোম্পানির বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা ও জেল জরিমানার বিধান রয়েছে।
AI পরামর্শ ও প্রতিকার
Survivor Shield ⚠️ 100% FREE MEDICAL TREATMENT IN ALL HOSPITALS 🌐 দেশজুড়ে প্রযোজ্য

অ্যাসিড আক্রান্তের চিকিৎসা: সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল কি বিনামূল্যে চিকিৎসা দিতে বাধ্য?

বাধ্যতামূলক! সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ও বিএনএসএস ৩৯৭ ধারা অনুযায়ী যেকোনো সরকারি বা বেসরকারি হাসপাতাল অ্যাসিড আক্রান্তদের অবিলম্বে ভর্তি করে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রাথমিক চিকিৎসা, প্লাস্টিক সার্জারি ও ওষুধ দিতে বাধ্য।

প্রাসঙ্গিক আইন ও ধারা: Section 397 Bharatiya Nagarik Suraksha Sanhita, 2023 (BNSS) & Supreme Court in Laxmi v. Union of India (2015)
সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ: Article 21 (Right to Life and Health), Article 14 (Equal medical protection) (অনুচ্ছেদ 21 →) (অনুচ্ছেদ 14 →)
কর্মকর্তাকে শান্ত ভাষায় যা বলবেন:
🛡️ অনুচ্ছেদ 21, 14 কবচ
“সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী অ্যাসিড আক্রান্তের যাবতীয় চিকিৎসা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে হবে।\ (সংবিধানের Article 21 (Right to Life and Health), Article 14 (Equal medical protection) দ্বারা সুরক্ষিত)।”
আইন কী বলে
  • • ১. কোনো বেসরকারি হাসপাতাল অগ্রিম টাকার জন্য অ্যাসিড আক্রান্তের চিকিৎসা দিতে অস্বীকার করতে পারে না।
  • • ২. চিকিৎসার মধ্যে বিনামূল্যে একাধিক প্লাস্টিক সার্জারি, আইসিইউ এবং ওষুধ অন্তর্ভুক্ত।
  • • ৩. চিকিৎসা প্রদানে ব্যর্থ হাসপাতালের বিরুদ্ধে BNS ১৯৪ ধারায় ফৌজদারি শাস্তির বিধান রয়েছে।
ঘটনাস্থলে শান্তভাবে কী বলবেন ও করবেন
  1. ১. রোগীকে তৎক্ষণাৎ নিকটতম যেকোনো হাসপাতালের ইমার্জেন্সিতে নিয়ে যান।
  2. ২. ডাক্তারকে বলুন: "সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী অ্যাসিড আক্রান্তের যাবতীয় চিকিৎসা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে হবে।\"
  3. ৩. পুলিশকে জানিয়ে BNS ১২৪ ধারায় তাৎক্ষণিক এফআইআর ও এমএলসি রিপোর্ট তৈরি করান।
  4. ৪. ডিস্ট্রিক্ট লিগ্যাল সার্ভিসেস অথরিটি (DLSA) থেকে ক্ষতিপূরণ ভাতার আবেদন জমা দিন।
AI পরামর্শ ও প্রতিকার
Women Safety ⚠️ ZERO FIR: REGISTER AT ANY POLICE STATION 🌐 দেশজুড়ে প্রযোজ্য

ভ্রমণকালে নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ: ভারতের যেকোনো থানায় কি জিরো এফআইআর দায়ের করা যায়?

হ্যাঁ! স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশ ও বিএনএসএস ১৭৩(১) ধারা অনুযায়ী অপরাধ যেখানেই ঘটুক না কেন, নারী ভারতের যেকোনো থানায় "জিরো এফআইআর" করতে পারেন। এলাকা নেই বলে পুলিশ ফিরিয়ে দিতে পারে না।

প্রাসঙ্গিক আইন ও ধারা: Section 173(1) Bharatiya Nagarik Suraksha Sanhita, 2023 & Ministry of Home Affairs Advisory No. 15011/35/2013-SC/ST-W
সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ: Article 14 (Equality before Law), Article 21 (Personal safety and access to justice) (অনুচ্ছেদ 14 →) (অনুচ্ছেদ 21 →)
কর্মকর্তাকে শান্ত ভাষায় যা বলবেন:
🛡️ অনুচ্ছেদ 14, 21 কবচ
“বিএনএসএস ১৭৩(১) ধারা অনুযায়ী আমার জিরো এফআইআর নথিভুক্ত করে সিলমোহর সহ রসিদ দিন।\ (সংবিধানের Article 14 (Equality before Law), Article 21 (Personal safety and access to justice) দ্বারা সুরক্ষিত)।”
আইন কী বলে
  • • ১. জিরো এফআইআরে কোনো নির্দিষ্ট নম্বর না দিয়ে '০' নম্বরে তৎক্ষণাৎ নথিভুক্ত করা হয়।
  • • ২. প্রাথমিক ডাক্তারি পরীক্ষা ও বয়ান নিয়ে ওই থানা সংশ্লিষ্ট উপযুক্ত থানায় কেস ফাইল পাঠিয়ে দেয়।
  • • ৩. জিরো এফআইআর নিতে অস্বীকারকারী অফিসারের ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।
ঘটনাস্থলে শান্তভাবে কী বলবেন ও করবেন
  1. ১. নিকটস্থ থানায় গিয়ে ওমেন হেল্প ডেস্ক বা ডিউটি অফিসারকে খুঁজুন।
  2. ২. বলুন: "বিএনএসএস ১৭৩(১) ধারা অনুযায়ী আমার জিরো এফআইআর নথিভুক্ত করে সিলমোহর সহ রসিদ দিন।\"
  3. ৩. নারী নির্যাতনের ঘটনায় বয়ান অবশ্যই মহিলা পুলিশ অফিসার দ্বারা রেকর্ড হতে হবে।
  4. ৪. থানা ছাড়ার আগেই বিনামূল্যে জিরো এফআইআরের সার্টিফায়েড কপি সংগ্রহ করুন।
AI পরামর্শ ও প্রতিকার
Stridhan Shield ⚠️ STRIDHAN BELONGS SOLELY TO THE WOMAN 🌐 দেশজুড়ে প্রযোজ্য

বৈবাহিক বিচ্ছেদ বা ডিভোর্স: স্ত্রীর নিজের স্ত্রীধনের (স্বর্ণালঙ্কার ও উপহার) ওপর কি একক মালিকানা থাকে?

একক ও নিরঙ্কুশ মালিকানা! সুপ্রিম কোর্টের প্রতিভা রানী রায় অনুযায়ী বিয়ের উপহার ও অলঙ্কার (স্ত্রীধন) শুধুই নারীর ব্যক্তিগত সম্পত্তি। শ্বশুরবাড়ির লোকজন তা আটকে রাখলে তা ফৌজদারি অপরাধ।

প্রাসঙ্গিক আইন ও ধারা: Section 14 Hindu Succession Act, 1956 & Section 316 Bharatiya Nyaya Sanhita, 2023 (Section 406 IPC)
সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ: Article 300A (Right to Property), Article 21 (Female economic dignity) (অনুচ্ছেদ 300A →) (অনুচ্ছেদ 21 →)
কর্মকর্তাকে শান্ত ভাষায় যা বলবেন:
🛡️ অনুচ্ছেদ 300A, 21 কবচ
“”
আইন কী বলে
  • • ১. স্ত্রীধনের মধ্যে বিয়ের সমস্ত সোনা, গয়না, দান সামগ্রী ও উপহার অন্তর্ভুক্ত।
  • • ২. স্বামী বা শ্বশুরবাড়ির লোকেরা এর কেবল অছি বা ট্রাস্টি, তাদের কোনো মালিকানা নেই।
  • • ৩. চাওয়ামাত্র স্ত্রীধন ফেরত না দিলে BNS ৩১৬ ধারায় ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের বিধান আছে।
ঘটনাস্থলে শান্তভাবে কী বলবেন ও করবেন
  1. ১. সমস্ত গয়নার রসিদ ও বিয়ের ছবি সহ স্ত্রীধনের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করুন।
  2. ২. আইনজীবীর মাধ্যমে ১৫ দিনের সময় দিয়ে স্ত্রীধন ফেরতের লিগ্যাল নোটিশ পাঠান।
  3. ৩. ফেরত না দিলে গার্হস্থ্য হিংসা প্রতিরোধ আইনের ১২ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে আবেদন করুন।
  4. ৪. থানায় BNS ৩১৬ ধারায় বিশ্বাসভঙ্গের আনুষ্ঠানিক এফআইআর দায়ের করুন।
AI পরামর্শ ও প্রতিকার
Workplace Safety ⚠️ POSH COMMITTEE MUST ACT ON SEXUAL HARASSMENT 🌐 দেশজুড়ে প্রযোজ্য

কর্মস্থলে যৌন হেনস্থা: সহকর্মী কি নির্যাতিতার হয়ে পশ (POSH) কমিটির কাছে অভিযোগ জানাতে পারে?

হ্যাঁ! পশ আইন ২০১৩ অনুযায়ী নির্যাতিতা শারীরিক বা মানসিকভাবে অপারগ হলে তার লিখিত অনুমতি সাপেক্ষে কোনো সহকর্মী বা বন্ধু আইসিসি (ICC) কমিটির কাছে অভিযোগ দাখিল করতে পারে।

প্রাসঙ্গিক আইন ও ধারা: Section 9 Sexual Harassment of Women at Workplace (Prevention, Prohibition and Redressal) Act, 2013 & POSH Rules
সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ: Article 14, Article 19(1)(g) (Right to work with dignity), Article 21 (Right to Safe Workplace) (অনুচ্ছেদ 14 →) (অনুচ্ছেদ 19 →) (অনুচ্ছেদ 21 →)
কর্মকর্তাকে শান্ত ভাষায় যা বলবেন:
🛡️ অনুচ্ছেদ 14, 19, 21 কবচ
“অফিসার, শ্রদ্ধার সাথে জানাচ্ছি, Section 9 Sexual Harassment of Women at Workplace (Prevention, Prohibition and Redressal) Act, 2013 & POSH Rules অনুযায়ী, সহকর্মী অভিযোগ পাঠিয়েছে এই অজুহাতে আইসিসি কমিটি কোনো অভিযোগ বাতিল করতে পারে না। সংবিধানের Article 14, Article 19(1)(g) (Right to work with dignity), Article 21 (Right to Safe Workplace) অনুযায়ী এটি আমার মৌলিক স্বাধীনতা; কোনো বিধিনিষেধ থাকলে অনুগ্রহ করে লিখিত সরকারি আদেশ দেখান।”
আইন কী বলে
  • • ১. সহকর্মী অভিযোগ পাঠিয়েছে এই অজুহাতে আইসিসি কমিটি কোনো অভিযোগ বাতিল করতে পারে না।
  • • ২. কমিটি ৭ দিনের মধ্যে তদন্ত শুরু করতে এবং ৯০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত রিপোর্ট দিতে বাধ্য।
  • • ৩. প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা বা চাকরিচ্যুতির বিরুদ্ধে পশ আইনের ১২ ধারায় পূর্ণ আইনি সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে।
ঘটনাস্থলে শান্তভাবে কী বলবেন ও করবেন
  1. ১. ঘটনার তারিখ, সময় ও সাক্ষীদের নাম উল্লেখ করে আইসিসি ইমেলে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ পাঠান।
  2. ২. সহকর্মী হিসেবে আবেদন করলে নির্যাতিতার লিখিত সম্মতিপত্র যুক্ত করুন।
  3. ৩. ধারা ১২ অনুযায়ী অভিযুক্তের বদলি বা ওয়ার্ক ফ্রম হোমের মতো অন্তর্বর্তীকালীন সুরক্ষার আবেদন করুন।
  4. ৪. কোম্পানি ব্যবস্থা না নিলে জেলাশাসকের অধীনে লোকাল কমপ্লেন্টস কমিটিতে (LCC) আবেদন করুন।
AI পরামর্শ ও প্রতিকার
Night Shift Safety ✅ DOOR-TO-DOOR CAB & SECURITY MANDATORY FOR WOMEN 🌐 দেশজুড়ে প্রযোজ্য

নাইট শিফটে কর্মরত নারী: অফিস থেকে বাড়ি পর্যন্ত জিপিএস ক্যাব ও নিরাপত্তা দেওয়া কি বাধ্যতামূলক?

বাধ্যতামূলক! আইন অনুযায়ী সন্ধ্যে ৭টা থেকে সকাল ৬টার মধ্যে নারী কর্মীদের ডিউটি দিলে সংস্থাকে অবশ্যই বিনামূল্যে জিপিএস যুক্ত ক্যাব ও সিকিউরিটি গার্ড দিয়ে বাড়ির দরজায় নিরাপদে পৌঁছে দিতে হবে।

প্রাসঙ্গিক আইন ও ধারা: Section 66 Factories Act, 1948 & State Shops and Commercial Establishments Acts
সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ: Article 19(1)(g) (Right to practice profession safely), Article 21 (Right to personal safety and dignity) (অনুচ্ছেদ 19 →) (অনুচ্ছেদ 21 →)
কর্মকর্তাকে শান্ত ভাষায় যা বলবেন:
🛡️ অনুচ্ছেদ 19, 21 কবচ
“অফিসার, শ্রদ্ধার সাথে জানাচ্ছি, Section 66 Factories Act, 1948 & State Shops and Commercial Establishments Acts অনুযায়ী, ইট শিফটে মহিলা কর্মীদের ব্যক্তিগত ব্যবস্থায় যাতায়াত করতে বাধ্য করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সংবিধানের Article 19(1)(g) (Right to practice profession safely), Article 21 (Right to personal safety and dignity) অনুযায়ী এটি আমার মৌলিক স্বাধীনতা; কোনো বিধিনিষেধ থাকলে অনুগ্রহ করে লিখিত সরকারি আদেশ দেখান।”
আইন কী বলে
  • • ১. নাইট শিফটে মহিলা কর্মীদের ব্যক্তিগত ব্যবস্থায় যাতায়াত করতে বাধ্য করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
  • • ২. ক্যাবে সক্রিয় জিপিএস ট্র্যাকিং ও প্যানিক এসওএস (SOS) বোতাম থাকা বাধ্যতামূলক।
  • • ৩. গাড়িতে কোনো নারী একা থাকলে সঙ্গে সার্বক্ষণিক সিকিউরিটি গার্ড থাকা আইনত বাধ্যতামূলক।
ঘটনাস্থলে শান্তভাবে কী বলবেন ও করবেন
  1. ১. কোম্পানি রাতের গাড়ি না দিলে এইচআর ও ম্যানেজমেন্টকে নিয়ম উল্লেখ করে ইমেল করুন।
  2. ২. ড্রাইভারের পুলিশ ভেরিফিকেশন ও জিপিএস ট্র্যাকিং যাচাই করে গাড়িতে উঠুন।
  3. ৩. রাতে বিপদে পড়লে অবিলম্বে ১১২ নম্বরে ফোন করে উইমেন পুলিশ এসকর্টের সাহায্য নিন।
  4. ৪. শ্রম দপ্তরে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা বিধি ভঙ্গের আনুষ্ঠানিক নালিশ জানান।
AI পরামর্শ ও প্রতিকার
← পূর্ববর্তী 1 2 পরবর্তী →
EN-IN • STUDIO VOICE
Preparing studio neural voice...