আন্তঃরাজ্য বাণিজ্যের ক্ষেত্রে পণ্য ও পরিষেবা কর (IGST) আরোপ ও সংগ্রহ
সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ (TL;DR)
অনুচ্ছেদ 269A (আন্তঃরাজ্য বাণিজ্যের ক্ষেত্রে পণ্য ও পরিষেবা কর (IGST) আরোপ ও সংগ্রহ): ১২শ অংশের অধীনে কর আরোপ, সরকারি তহবিল, কেন্দ্র-রাজ্য রাজস্ব বণ্টন এবং সম্পত্তির অধিকার সংক্রান্ত বিধান।
সহজ নাগরিক ভাষায় অর্থ
সংবিধানের ১২শ অংশের (অর্থ, সম্পত্তি, চুক্তি ও মামলা) অনুচ্ছেদ 269A 'আন্তঃরাজ্য বাণিজ্যের ক্ষেত্রে পণ্য ও পরিষেবা কর (IGST) আরোপ ও সংগ্রহ' পরিচালনা করে। এটি আইন ছাড়া কর আরোপ নিষিদ্ধকরণ (২৬৫), সঞ্চিত তহবিল ও আকস্মিক তহবিল (২৬৬-২৬৭), কেন্দ্র-রাজ্য কর বণ্টন, অর্থ কমিশন (২৮০), সরকারের বিরুদ্ধে নাগরিকের মামলা করার অধিকার (৩০০) এবং সম্পত্তির সাংবিধানিক অধিকার (৩০০এ) নির্ধারণ করে।
প্রধান সাংবিধানিক বিধান ও মূল বিষয়
সাংবিধানিক বিধান (অনুচ্ছেদ 269A): Part XII-এর অধীনে 'আন্তঃরাজ্য বাণিজ্যের ক্ষেত্রে পণ্য ও পরিষেবা কর (IGST) আরোপ ও সংগ্রহ' বিষয়ে বাধ্যতামূলক আইনি নিয়ম নির্ধারণ করে
এতে 8টি দফা (Clauses)-এর মাধ্যমে স্পষ্ট পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে
স্বেচ্ছাচারী প্রশাসনিক আদেশের পরিবর্তে সংসদের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও জবাবদিহিতা বাধ্যতামূলক করে
ব্যতিক্রম ও যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ (সীমাবদ্ধতা)
অনুচ্ছেদ ২৬৫ অনুযায়ী বৈধ আইন ছাড়া কোনো কর আদায় করা যায় না এবং সংসদ বা বিধানসভার অনুমোদন ছাড়া সঞ্চিত তহবিল থেকে কোনো অর্থ তোলা যায় না।
দৈনন্দিন জীবনে এটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?
নাগরিকদের বেআইনি কর আদায় ও অন্যায়ভাবে সম্পত্তি বাজেয়াপ্তকরণ থেকে রক্ষা করে এবং সরকারি তহবিলের স্বচ্ছতা বজায় রাখে।
আরও গভীরে পড়তে চান? সরকারি গেজেট পাঠ অথবা সুপ্রিম কোর্টের রায় ও গণপরিষদ বিতর্ক দেখুন: