৯৭তম সংবিধান সংশোধনী আইন (২০১১) দ্বারা সংযোজিত অংশ IX-B (সমবায় সমিতি)-এর অনুচ্ছেদ 243ZO 'তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে সমবায় সদস্যের অধিকার' বিষয়ে বিধান দেয়। এটি কৃষি, ডেয়ারি, আবাসন (Housing Society) ও ক্রেডিট সমবায় সমিতির বোর্ড নির্বাচন, ৫ বছরের মেয়াদ, বার্ষিক সাধারণ সভা, স্বাধীন অডিট এবং প্রতিটি সদস্যের হিসাব ও তথ্য জানার অধিকারকে সাংবিধানিক সুরক্ষা দেয়।
৯৭তম সংবিধান সংশোধনী আইন (২০১১) দ্বারা সংযোজিত অংশ IX-B (সমবায় সমিতি)-এর অনুচ্ছেদ 243ZP 'রিটার্ন বা বিবরণী দাখিল' বিষয়ে বিধান দেয়। এটি কৃষি, ডেয়ারি, আবাসন (Housing Society) ও ক্রেডিট সমবায় সমিতির বোর্ড নির্বাচন, ৫ বছরের মেয়াদ, বার্ষিক সাধারণ সভা, স্বাধীন অডিট এবং প্রতিটি সদস্যের হিসাব ও তথ্য জানার অধিকারকে সাংবিধানিক সুরক্ষা দেয়।
৯৭তম সংবিধান সংশোধনী আইন (২০১১) দ্বারা সংযোজিত অংশ IX-B (সমবায় সমিতি)-এর অনুচ্ছেদ 243ZQ 'সমবায় সমিতি সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড' বিষয়ে বিধান দেয়। এটি কৃষি, ডেয়ারি, আবাসন (Housing Society) ও ক্রেডিট সমবায় সমিতির বোর্ড নির্বাচন, ৫ বছরের মেয়াদ, বার্ষিক সাধারণ সভা, স্বাধীন অডিট এবং প্রতিটি সদস্যের হিসাব ও তথ্য জানার অধিকারকে সাংবিধানিক সুরক্ষা দেয়।
৯৭তম সংবিধান সংশোধনী আইন (২০১১) দ্বারা সংযোজিত অংশ IX-B (সমবায় সমিতি)-এর অনুচ্ছেদ 243ZR 'বহু-রাজ্য সমবায় সমিতির ক্ষেত্রে প্রয়োগ' বিষয়ে বিধান দেয়। এটি কৃষি, ডেয়ারি, আবাসন (Housing Society) ও ক্রেডিট সমবায় সমিতির বোর্ড নির্বাচন, ৫ বছরের মেয়াদ, বার্ষিক সাধারণ সভা, স্বাধীন অডিট এবং প্রতিটি সদস্যের হিসাব ও তথ্য জানার অধিকারকে সাংবিধানিক সুরক্ষা দেয়।
৯৭তম সংবিধান সংশোধনী আইন (২০১১) দ্বারা সংযোজিত অংশ IX-B (সমবায় সমিতি)-এর অনুচ্ছেদ 243ZS 'কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলসমূহে প্রয়োগ' বিষয়ে বিধান দেয়। এটি কৃষি, ডেয়ারি, আবাসন (Housing Society) ও ক্রেডিট সমবায় সমিতির বোর্ড নির্বাচন, ৫ বছরের মেয়াদ, বার্ষিক সাধারণ সভা, স্বাধীন অডিট এবং প্রতিটি সদস্যের হিসাব ও তথ্য জানার অধিকারকে সাংবিধানিক সুরক্ষা দেয়।
৯৭তম সংবিধান সংশোধনী আইন (২০১১) দ্বারা সংযোজিত অংশ IX-B (সমবায় সমিতি)-এর অনুচ্ছেদ 243ZT 'বিদ্যমান আইনের ধারাবাহিকতা' বিষয়ে বিধান দেয়। এটি কৃষি, ডেয়ারি, আবাসন (Housing Society) ও ক্রেডিট সমবায় সমিতির বোর্ড নির্বাচন, ৫ বছরের মেয়াদ, বার্ষিক সাধারণ সভা, স্বাধীন অডিট এবং প্রতিটি সদস্যের হিসাব ও তথ্য জানার অধিকারকে সাংবিধানিক সুরক্ষা দেয়।
সংবিধানের ১০ম অংশের (তপশিলি ও উপজাতি এলাকা) অনুচ্ছেদ 244 'তফসিলি এলাকা ও উপজাতি এলাকার প্রশাসন (পঞ্চম ও ষষ্ঠ তফসিল)' নির্ধারণ করে। এটি পঞ্চম তফসিল এবং ষষ্ঠ তফসিলের (আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও মিজোরামের স্বায়ত্তশাসিত জেলা পরিষদ) মাধ্যমে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ভূমি, অরণ্য, সংস্কৃতি ও স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন রক্ষা করে।
সংবিধানের ১০ম অংশের (তপশিলি ও উপজাতি এলাকা) অনুচ্ছেদ 244A 'আসামের কিছু উপজাতি এলাকা নিয়ে স্বায়ত্তশাসিত রাজ্য গঠন এবং স্থানীয় আইনসভা বা মন্ত্রিসভা সৃষ্টি' নির্ধারণ করে। এটি পঞ্চম তফসিল এবং ষষ্ঠ তফসিলের (আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও মিজোরামের স্বায়ত্তশাসিত জেলা পরিষদ) মাধ্যমে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ভূমি, অরণ্য, সংস্কৃতি ও স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন রক্ষা করে।
সংবিধানের ১১শ অংশের (কেন্দ্র ও রাজ্যের সম্পর্ক) অনুচ্ছেদ 245 'সংসদ এবং রাজ্য আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইনের পরিধি' পরিচালনা করে। এটি সপ্তম তফসিলের কেন্দ্রীয়, রাজ্য ও যুগ্ম তালিকা অনুযায়ী আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, জিএসটি (২৪৬এ), কেন্দ্র-রাজ্য আইনের বিরোধ নিষ্পত্তি (২৫৪), আন্তঃরাজ্য নদী জল বিরোধ (২৬২) এবং আন্তঃরাজ্য পরিষদের (২৬৩) সাংবিধানিক কাঠামো নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ১১শ অংশের (কেন্দ্র ও রাজ্যের সম্পর্ক) অনুচ্ছেদ 246 'সংসদ এবং রাজ্য আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইনের বিষয়বস্তু (কেন্দ্র, রাজ্য ও যুগ্ম তালিকা)' পরিচালনা করে। এটি সপ্তম তফসিলের কেন্দ্রীয়, রাজ্য ও যুগ্ম তালিকা অনুযায়ী আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, জিএসটি (২৪৬এ), কেন্দ্র-রাজ্য আইনের বিরোধ নিষ্পত্তি (২৫৪), আন্তঃরাজ্য নদী জল বিরোধ (২৬২) এবং আন্তঃরাজ্য পরিষদের (২৬৩) সাংবিধানিক কাঠামো নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ১১শ অংশের (কেন্দ্র ও রাজ্যের সম্পর্ক) অনুচ্ছেদ 246A 'পণ্য ও পরিষেবা কর (GST) সংক্রান্ত বিশেষ বিধান' পরিচালনা করে। এটি সপ্তম তফসিলের কেন্দ্রীয়, রাজ্য ও যুগ্ম তালিকা অনুযায়ী আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, জিএসটি (২৪৬এ), কেন্দ্র-রাজ্য আইনের বিরোধ নিষ্পত্তি (২৫৪), আন্তঃরাজ্য নদী জল বিরোধ (২৬২) এবং আন্তঃরাজ্য পরিষদের (২৬৩) সাংবিধানিক কাঠামো নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ১১শ অংশের (কেন্দ্র ও রাজ্যের সম্পর্ক) অনুচ্ছেদ 247 'নির্দিষ্ট কিছু অতিরিক্ত আদালত স্থাপনের ক্ষেত্রে সংসদের ক্ষমতা' পরিচালনা করে। এটি সপ্তম তফসিলের কেন্দ্রীয়, রাজ্য ও যুগ্ম তালিকা অনুযায়ী আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, জিএসটি (২৪৬এ), কেন্দ্র-রাজ্য আইনের বিরোধ নিষ্পত্তি (২৫৪), আন্তঃরাজ্য নদী জল বিরোধ (২৬২) এবং আন্তঃরাজ্য পরিষদের (২৬৩) সাংবিধানিক কাঠামো নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ১১শ অংশের (কেন্দ্র ও রাজ্যের সম্পর্ক) অনুচ্ছেদ 248 'অবশিষ্ট আইন প্রণয়নের ক্ষমতা (Residuary Powers)' পরিচালনা করে। এটি সপ্তম তফসিলের কেন্দ্রীয়, রাজ্য ও যুগ্ম তালিকা অনুযায়ী আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, জিএসটি (২৪৬এ), কেন্দ্র-রাজ্য আইনের বিরোধ নিষ্পত্তি (২৫৪), আন্তঃরাজ্য নদী জল বিরোধ (২৬২) এবং আন্তঃরাজ্য পরিষদের (২৬৩) সাংবিধানিক কাঠামো নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ১১শ অংশের (কেন্দ্র ও রাজ্যের সম্পর্ক) অনুচ্ছেদ 249 'জাতীয় স্বার্থে রাজ্য তালিকার বিষয়ে আইন প্রণয়নের সংসদের ক্ষমতা' পরিচালনা করে। এটি সপ্তম তফসিলের কেন্দ্রীয়, রাজ্য ও যুগ্ম তালিকা অনুযায়ী আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, জিএসটি (২৪৬এ), কেন্দ্র-রাজ্য আইনের বিরোধ নিষ্পত্তি (২৫৪), আন্তঃরাজ্য নদী জল বিরোধ (২৬২) এবং আন্তঃরাজ্য পরিষদের (২৬৩) সাংবিধানিক কাঠামো নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ১১শ অংশের (কেন্দ্র ও রাজ্যের সম্পর্ক) অনুচ্ছেদ 250 'জরুরি অবস্থা বলবৎ থাকাকালীন রাজ্য তালিকার বিষয়ে আইন প্রণয়নের সংসদের ক্ষমতা' পরিচালনা করে। এটি সপ্তম তফসিলের কেন্দ্রীয়, রাজ্য ও যুগ্ম তালিকা অনুযায়ী আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, জিএসটি (২৪৬এ), কেন্দ্র-রাজ্য আইনের বিরোধ নিষ্পত্তি (২৫৪), আন্তঃরাজ্য নদী জল বিরোধ (২৬২) এবং আন্তঃরাজ্য পরিষদের (২৬৩) সাংবিধানিক কাঠামো নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ১১শ অংশের (কেন্দ্র ও রাজ্যের সম্পর্ক) অনুচ্ছেদ 251 'অনুচ্ছেদ ২৪৯ ও ২৫০-এর অধীনে সংসদের আইন এবং রাজ্য আইনসভার আইনের মধ্যে অসামঞ্জস্য' পরিচালনা করে। এটি সপ্তম তফসিলের কেন্দ্রীয়, রাজ্য ও যুগ্ম তালিকা অনুযায়ী আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, জিএসটি (২৪৬এ), কেন্দ্র-রাজ্য আইনের বিরোধ নিষ্পত্তি (২৫৪), আন্তঃরাজ্য নদী জল বিরোধ (২৬২) এবং আন্তঃরাজ্য পরিষদের (২৬৩) সাংবিধানিক কাঠামো নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ১১শ অংশের (কেন্দ্র ও রাজ্যের সম্পর্ক) অনুচ্ছেদ 252 'দুই বা ততোধিক রাজ্যের সম্মতিক্রমে সংসদের আইন প্রণয়নের ক্ষমতা' পরিচালনা করে। এটি সপ্তম তফসিলের কেন্দ্রীয়, রাজ্য ও যুগ্ম তালিকা অনুযায়ী আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, জিএসটি (২৪৬এ), কেন্দ্র-রাজ্য আইনের বিরোধ নিষ্পত্তি (২৫৪), আন্তঃরাজ্য নদী জল বিরোধ (২৬২) এবং আন্তঃরাজ্য পরিষদের (২৬৩) সাংবিধানিক কাঠামো নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ১১শ অংশের (কেন্দ্র ও রাজ্যের সম্পর্ক) অনুচ্ছেদ 253 'আন্তর্জাতিক চুক্তি ও সমঝোতা কার্যকর করার জন্য আইন প্রণয়ন' পরিচালনা করে। এটি সপ্তম তফসিলের কেন্দ্রীয়, রাজ্য ও যুগ্ম তালিকা অনুযায়ী আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, জিএসটি (২৪৬এ), কেন্দ্র-রাজ্য আইনের বিরোধ নিষ্পত্তি (২৫৪), আন্তঃরাজ্য নদী জল বিরোধ (২৬২) এবং আন্তঃরাজ্য পরিষদের (২৬৩) সাংবিধানিক কাঠামো নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ১১শ অংশের (কেন্দ্র ও রাজ্যের সম্পর্ক) অনুচ্ছেদ 254 'সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইন এবং রাজ্য আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইনের মধ্যে অসামঞ্জস্য' পরিচালনা করে। এটি সপ্তম তফসিলের কেন্দ্রীয়, রাজ্য ও যুগ্ম তালিকা অনুযায়ী আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, জিএসটি (২৪৬এ), কেন্দ্র-রাজ্য আইনের বিরোধ নিষ্পত্তি (২৫৪), আন্তঃরাজ্য নদী জল বিরোধ (২৬২) এবং আন্তঃরাজ্য পরিষদের (২৬৩) সাংবিধানিক কাঠামো নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ১১শ অংশের (কেন্দ্র ও রাজ্যের সম্পর্ক) অনুচ্ছেদ 255 'সুপারিশ ও পূর্ব অনুমোদন সংক্রান্ত শর্তাবলীকে কেবল পদ্ধতিগত বিষয় হিসেবে গণ্য করা' পরিচালনা করে। এটি সপ্তম তফসিলের কেন্দ্রীয়, রাজ্য ও যুগ্ম তালিকা অনুযায়ী আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, জিএসটি (২৪৬এ), কেন্দ্র-রাজ্য আইনের বিরোধ নিষ্পত্তি (২৫৪), আন্তঃরাজ্য নদী জল বিরোধ (২৬২) এবং আন্তঃরাজ্য পরিষদের (২৬৩) সাংবিধানিক কাঠামো নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ১১শ অংশের (কেন্দ্র ও রাজ্যের সম্পর্ক) অনুচ্ছেদ 256 'রাজ্যসমূহ এবং ইউনিয়নের বাধ্যবাধকতা' পরিচালনা করে। এটি সপ্তম তফসিলের কেন্দ্রীয়, রাজ্য ও যুগ্ম তালিকা অনুযায়ী আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, জিএসটি (২৪৬এ), কেন্দ্র-রাজ্য আইনের বিরোধ নিষ্পত্তি (২৫৪), আন্তঃরাজ্য নদী জল বিরোধ (২৬২) এবং আন্তঃরাজ্য পরিষদের (২৬৩) সাংবিধানিক কাঠামো নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ১১শ অংশের (কেন্দ্র ও রাজ্যের সম্পর্ক) অনুচ্ছেদ 257 'নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে রাজ্যসমূহের ওপর ইউনিয়নের নিয়ন্ত্রণ' পরিচালনা করে। এটি সপ্তম তফসিলের কেন্দ্রীয়, রাজ্য ও যুগ্ম তালিকা অনুযায়ী আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, জিএসটি (২৪৬এ), কেন্দ্র-রাজ্য আইনের বিরোধ নিষ্পত্তি (২৫৪), আন্তঃরাজ্য নদী জল বিরোধ (২৬২) এবং আন্তঃরাজ্য পরিষদের (২৬৩) সাংবিধানিক কাঠামো নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ১১শ অংশের (কেন্দ্র ও রাজ্যের সম্পর্ক) অনুচ্ছেদ 258 'নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে রাজ্যসমূহকে ক্ষমতা অর্পণের ক্ষেত্রে ইউনিয়নের ক্ষমতা' পরিচালনা করে। এটি সপ্তম তফসিলের কেন্দ্রীয়, রাজ্য ও যুগ্ম তালিকা অনুযায়ী আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, জিএসটি (২৪৬এ), কেন্দ্র-রাজ্য আইনের বিরোধ নিষ্পত্তি (২৫৪), আন্তঃরাজ্য নদী জল বিরোধ (২৬২) এবং আন্তঃরাজ্য পরিষদের (২৬৩) সাংবিধানিক কাঠামো নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ১১শ অংশের (কেন্দ্র ও রাজ্যের সম্পর্ক) অনুচ্ছেদ 258A 'ইউনিয়নকে দায়িত্ব অর্পণের ক্ষেত্রে রাজ্যসমূহের ক্ষমতা' পরিচালনা করে। এটি সপ্তম তফসিলের কেন্দ্রীয়, রাজ্য ও যুগ্ম তালিকা অনুযায়ী আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, জিএসটি (২৪৬এ), কেন্দ্র-রাজ্য আইনের বিরোধ নিষ্পত্তি (২৫৪), আন্তঃরাজ্য নদী জল বিরোধ (২৬২) এবং আন্তঃরাজ্য পরিষদের (২৬৩) সাংবিধানিক কাঠামো নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ১১শ অংশের (কেন্দ্র ও রাজ্যের সম্পর্ক) অনুচ্ছেদ 260 'ভারতের বাইরের অঞ্চলের ক্ষেত্রে ইউনিয়নের এক্তিয়ার' পরিচালনা করে। এটি সপ্তম তফসিলের কেন্দ্রীয়, রাজ্য ও যুগ্ম তালিকা অনুযায়ী আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, জিএসটি (২৪৬এ), কেন্দ্র-রাজ্য আইনের বিরোধ নিষ্পত্তি (২৫৪), আন্তঃরাজ্য নদী জল বিরোধ (২৬২) এবং আন্তঃরাজ্য পরিষদের (২৬৩) সাংবিধানিক কাঠামো নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ১১শ অংশের (কেন্দ্র ও রাজ্যের সম্পর্ক) অনুচ্ছেদ 261 'সরকারি কার্যাবলী, নথিপত্র এবং বিচারবিভাগীয় কার্যধারা' পরিচালনা করে। এটি সপ্তম তফসিলের কেন্দ্রীয়, রাজ্য ও যুগ্ম তালিকা অনুযায়ী আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, জিএসটি (২৪৬এ), কেন্দ্র-রাজ্য আইনের বিরোধ নিষ্পত্তি (২৫৪), আন্তঃরাজ্য নদী জল বিরোধ (২৬২) এবং আন্তঃরাজ্য পরিষদের (২৬৩) সাংবিধানিক কাঠামো নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ১১শ অংশের (কেন্দ্র ও রাজ্যের সম্পর্ক) অনুচ্ছেদ 262 'আন্তঃরাজ্য নদী বা নদী উপত্যকার জল সংক্রান্ত বিরোধের নিষ্পত্তি' পরিচালনা করে। এটি সপ্তম তফসিলের কেন্দ্রীয়, রাজ্য ও যুগ্ম তালিকা অনুযায়ী আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, জিএসটি (২৪৬এ), কেন্দ্র-রাজ্য আইনের বিরোধ নিষ্পত্তি (২৫৪), আন্তঃরাজ্য নদী জল বিরোধ (২৬২) এবং আন্তঃরাজ্য পরিষদের (২৬৩) সাংবিধানিক কাঠামো নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ১১শ অংশের (কেন্দ্র ও রাজ্যের সম্পর্ক) অনুচ্ছেদ 263 'আন্তঃরাজ্য পরিষদ (Inter-State Council) সংক্রান্ত বিধান' পরিচালনা করে। এটি সপ্তম তফসিলের কেন্দ্রীয়, রাজ্য ও যুগ্ম তালিকা অনুযায়ী আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, জিএসটি (২৪৬এ), কেন্দ্র-রাজ্য আইনের বিরোধ নিষ্পত্তি (২৫৪), আন্তঃরাজ্য নদী জল বিরোধ (২৬২) এবং আন্তঃরাজ্য পরিষদের (২৬৩) সাংবিধানিক কাঠামো নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ১২শ অংশের (অর্থ, সম্পত্তি, চুক্তি ও মামলা) অনুচ্ছেদ 264 'ব্যাখ্যা (অর্থ ও রাজস্ব সংক্রান্ত অধ্যায়)' পরিচালনা করে। এটি আইন ছাড়া কর আরোপ নিষিদ্ধকরণ (২৬৫), সঞ্চিত তহবিল ও আকস্মিক তহবিল (২৬৬-২৬৭), কেন্দ্র-রাজ্য কর বণ্টন, অর্থ কমিশন (২৮০), সরকারের বিরুদ্ধে নাগরিকের মামলা করার অধিকার (৩০০) এবং সম্পত্তির সাংবিধানিক অধিকার (৩০০এ) নির্ধারণ করে।
ধারা ২৬৫ মাত্র একটি বাক্যে নাগরিকদের উপার্জন ও পকেটের সবচেয়ে বড় সুরক্ষা দেয়: 'আইনের কর্তৃত্ব ব্যতীত কোনো কর আরোপ (Levied) বা আদায় (Collected) করা যাবে না।' এখানে 'আইন' বলতে সংসদ বা রাজ্য বিধানসভায় পাস হওয়া বিধিবদ্ধ আইনকে বোঝায়—কোনো আমলার সার্কুলার বা দপ্তরের খেয়ালখুশি নির্দেশকে নয়।
যদি কোনো সরকারি দপ্তর, পুরসভা, পঞ্চায়েত বা টোল সংস্থা এমন কোনো ট্যাক্স, সেস, ফি বা জরিমানা দাবি করে যার পেছনে কোনো বৈধ আইন নেই, তবে ধারা ২৬৫ অনুযায়ী সেই আদায় সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক এবং নাগরিক সেই অর্থ ফেরত (Refund) পাওয়ার অধিকারী।