সংবিধানের ৫ম অংশের ৪র্থ অধ্যায়ে (কেন্দ্রীয় বিচারবিভাগ) অনুচ্ছেদ 139 'নির্দিষ্ট কিছু রিট জারির ক্ষমতা সুপ্রিম কোর্টকে প্রদান' নির্ধারণ করে। এটি সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের নিয়োগ ও শর্তাবলী, কোর্ট অব রেকর্ড মর্যাদা, কেন্দ্র-রাজ্য বিরোধ নিষ্পত্তি, দেওয়ানি ও ফৌজদারি আপিল, রায় পুনর্বিবেচনা (Review) এবং বিচারবিভাগীয় স্বাধীনতা সুনিশ্চিত করে।
সংবিধানের ৫ম অংশের ৪র্থ অধ্যায়ে (কেন্দ্রীয় বিচারবিভাগ) অনুচ্ছেদ 139A 'নির্দিষ্ট কিছু মামলার স্থানান্তর (Transfer of Cases)' নির্ধারণ করে। এটি সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের নিয়োগ ও শর্তাবলী, কোর্ট অব রেকর্ড মর্যাদা, কেন্দ্র-রাজ্য বিরোধ নিষ্পত্তি, দেওয়ানি ও ফৌজদারি আপিল, রায় পুনর্বিবেচনা (Review) এবং বিচারবিভাগীয় স্বাধীনতা সুনিশ্চিত করে।
সংবিধানের ৫ম অংশের ৪র্থ অধ্যায়ে (কেন্দ্রীয় বিচারবিভাগ) অনুচ্ছেদ 140 'সুপ্রিম কোর্টের আনুষঙ্গিক ক্ষমতা' নির্ধারণ করে। এটি সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের নিয়োগ ও শর্তাবলী, কোর্ট অব রেকর্ড মর্যাদা, কেন্দ্র-রাজ্য বিরোধ নিষ্পত্তি, দেওয়ানি ও ফৌজদারি আপিল, রায় পুনর্বিবেচনা (Review) এবং বিচারবিভাগীয় স্বাধীনতা সুনিশ্চিত করে।
ধারা ১৪১ ঘোষণা করে যে 'সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক ঘোষিত আইন ভারতের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে সকল আদালতের ওপর বাধ্যতামূলক হবে।' এই ধারার শক্তিতেই সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়সমূহ—যেমন ডি.কে. বসুর গ্রেফতারি নির্দেশিকা, অর্ণেশ কুমারের জামিন নিয়ম, ললিতা কুমারীর বাধ্যতামূলক FIR নিয়ম বা বুলডোজার উচ্ছেদের নিষেধাজ্ঞা—দেশের প্রতিটি থানা, মহকুমা ও নিম্ন আদালতে সরাসরি আইন হিসেবে কার্যকর হয়।
ধারা ১৪২(১) সুপ্রিম কোর্টকে এক অসাধারণ ক্ষমতা প্রদান করে: যেখানে প্রচলিত আইনে কোনো শূন্যতা রয়েছে বা আইনি জটিলতার কারণে ভুক্তভোগী ন্যায়বিচার পাচ্ছেন না, সেখানে সুপ্রিম কোর্ট 'পূর্ণ ন্যায়বিচার' (Complete Justice) করার জন্য যেকোনো প্রয়োজনীয় আদেশ জারি করতে পারে।
সুপ্রিম কোর্ট ধারা ১৪২ প্রয়োগ করে বহু যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে—যেমন সংসদ আইন তৈরির আগেই কর্মক্ষেত্রে যৌন হেনস্থা রোধে 'বিশাখা নির্দেশিকা (১৯৯৭)' জারি করা, ভোপাল গ্যাস দুর্ঘটনার ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া, সাক্ষী সুরক্ষা প্রকল্প চালু করা এবং পারস্পরিক সম্মতিতে বিবাহবিচ্ছেদের ক্ষেত্রে ৬ মাসের অপেক্ষার সময়সীমা মওকুফ করে দ্রুত নিষ্পত্তি করা (শিল্পা শৈলেশ রায়, ২০২৩)।
সংবিধানের ৫ম অংশের ৪র্থ অধ্যায়ে (কেন্দ্রীয় বিচারবিভাগ) অনুচ্ছেদ 143 'সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শ গ্রহণের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা (Presidential Reference)' নির্ধারণ করে। এটি সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের নিয়োগ ও শর্তাবলী, কোর্ট অব রেকর্ড মর্যাদা, কেন্দ্র-রাজ্য বিরোধ নিষ্পত্তি, দেওয়ানি ও ফৌজদারি আপিল, রায় পুনর্বিবেচনা (Review) এবং বিচারবিভাগীয় স্বাধীনতা সুনিশ্চিত করে।
সংবিধানের ৫ম অংশের ৪র্থ অধ্যায়ে (কেন্দ্রীয় বিচারবিভাগ) অনুচ্ছেদ 144 'সুপ্রিম কোর্টের সহায়তায় দেওয়ানি ও বিচারবিভাগীয় কর্তৃপক্ষের কাজ করা' নির্ধারণ করে। এটি সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের নিয়োগ ও শর্তাবলী, কোর্ট অব রেকর্ড মর্যাদা, কেন্দ্র-রাজ্য বিরোধ নিষ্পত্তি, দেওয়ানি ও ফৌজদারি আপিল, রায় পুনর্বিবেচনা (Review) এবং বিচারবিভাগীয় স্বাধীনতা সুনিশ্চিত করে।
সংবিধানের ৫ম অংশের ৪র্থ অধ্যায়ে (কেন্দ্রীয় বিচারবিভাগ) অনুচ্ছেদ 145 'আদালতের নিয়মাবলী ইত্যাদি' নির্ধারণ করে। এটি সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের নিয়োগ ও শর্তাবলী, কোর্ট অব রেকর্ড মর্যাদা, কেন্দ্র-রাজ্য বিরোধ নিষ্পত্তি, দেওয়ানি ও ফৌজদারি আপিল, রায় পুনর্বিবেচনা (Review) এবং বিচারবিভাগীয় স্বাধীনতা সুনিশ্চিত করে।
সংবিধানের ৫ম অংশের ৪র্থ অধ্যায়ে (কেন্দ্রীয় বিচারবিভাগ) অনুচ্ছেদ 146 'সুপ্রিম কোর্টের আধিকারিক, কর্মচারী এবং ব্যয়' নির্ধারণ করে। এটি সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের নিয়োগ ও শর্তাবলী, কোর্ট অব রেকর্ড মর্যাদা, কেন্দ্র-রাজ্য বিরোধ নিষ্পত্তি, দেওয়ানি ও ফৌজদারি আপিল, রায় পুনর্বিবেচনা (Review) এবং বিচারবিভাগীয় স্বাধীনতা সুনিশ্চিত করে।
সংবিধানের ৫ম অংশের ৪র্থ অধ্যায়ে (কেন্দ্রীয় বিচারবিভাগ) অনুচ্ছেদ 147 'ব্যাখ্যা (বিচারবিভাগীয় অধ্যায় সংক্রান্ত)' নির্ধারণ করে। এটি সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের নিয়োগ ও শর্তাবলী, কোর্ট অব রেকর্ড মর্যাদা, কেন্দ্র-রাজ্য বিরোধ নিষ্পত্তি, দেওয়ানি ও ফৌজদারি আপিল, রায় পুনর্বিবেচনা (Review) এবং বিচারবিভাগীয় স্বাধীনতা সুনিশ্চিত করে।
সংবিধানের ৫ম অংশের ৫ম অধ্যায়ের অনুচ্ছেদ 148 'ভারতের কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর-জেনারেল (CAG)' বিষয়ে বিধান দেয়। ড. বি.আর. আম্বেদকর কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর-জেনারেলকে (CAG) সংবিধানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদ হিসেবে অভিহিত করেছিলেন। এটি কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের প্রতিটি টাকার হিসাব পরীক্ষা এবং সেই অডিট রিপোর্ট সংসদ ও বিধানসভায় পেশ করা বাধ্যতামূলক করে।
সংবিধানের ৫ম অংশের ৫ম অধ্যায়ের অনুচ্ছেদ 149 'কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর-জেনারেলের কর্তব্য ও ক্ষমতা' বিষয়ে বিধান দেয়। ড. বি.আর. আম্বেদকর কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর-জেনারেলকে (CAG) সংবিধানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদ হিসেবে অভিহিত করেছিলেন। এটি কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের প্রতিটি টাকার হিসাব পরীক্ষা এবং সেই অডিট রিপোর্ট সংসদ ও বিধানসভায় পেশ করা বাধ্যতামূলক করে।
সংবিধানের ৫ম অংশের ৫ম অধ্যায়ের অনুচ্ছেদ 150 'কেন্দ্র এবং রাজ্যসমূহের হিসাবের ধরন' বিষয়ে বিধান দেয়। ড. বি.আর. আম্বেদকর কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর-জেনারেলকে (CAG) সংবিধানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদ হিসেবে অভিহিত করেছিলেন। এটি কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের প্রতিটি টাকার হিসাব পরীক্ষা এবং সেই অডিট রিপোর্ট সংসদ ও বিধানসভায় পেশ করা বাধ্যতামূলক করে।
সংবিধানের ৫ম অংশের ৫ম অধ্যায়ের অনুচ্ছেদ 151 'নিরীক্ষা প্রতিবেদন (Audit Reports)' বিষয়ে বিধান দেয়। ড. বি.আর. আম্বেদকর কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর-জেনারেলকে (CAG) সংবিধানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদ হিসেবে অভিহিত করেছিলেন। এটি কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের প্রতিটি টাকার হিসাব পরীক্ষা এবং সেই অডিট রিপোর্ট সংসদ ও বিধানসভায় পেশ করা বাধ্যতামূলক করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের (রাজ্য শাসন) অনুচ্ছেদ 152 'সংজ্ঞা (ষষ্ঠ ভাগের ক্ষেত্রে রাজ্য শব্দের অর্থ)' নির্ধারণ করে। এটি রাজ্যের রাজ্যপালের নিয়োগ ও মেয়াদ, মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য মন্ত্রিসভার পরামর্শ, রাজ্যের অ্যাডভোকেট-জেনারেল এবং রাজ্য সরকারের কার্যপরিচালনার সাংবিধানিক নিয়ম স্থাপন করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের (রাজ্য শাসন) অনুচ্ছেদ 153 'রাজ্যসমূহের রাজ্যপাল' নির্ধারণ করে। এটি রাজ্যের রাজ্যপালের নিয়োগ ও মেয়াদ, মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য মন্ত্রিসভার পরামর্শ, রাজ্যের অ্যাডভোকেট-জেনারেল এবং রাজ্য সরকারের কার্যপরিচালনার সাংবিধানিক নিয়ম স্থাপন করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের (রাজ্য শাসন) অনুচ্ছেদ 154 'রাজ্যের শাসনবিভাগীয় ক্ষমতা' নির্ধারণ করে। এটি রাজ্যের রাজ্যপালের নিয়োগ ও মেয়াদ, মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য মন্ত্রিসভার পরামর্শ, রাজ্যের অ্যাডভোকেট-জেনারেল এবং রাজ্য সরকারের কার্যপরিচালনার সাংবিধানিক নিয়ম স্থাপন করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের (রাজ্য শাসন) অনুচ্ছেদ 155 'রাজ্যপালের নিয়োগ' নির্ধারণ করে। এটি রাজ্যের রাজ্যপালের নিয়োগ ও মেয়াদ, মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য মন্ত্রিসভার পরামর্শ, রাজ্যের অ্যাডভোকেট-জেনারেল এবং রাজ্য সরকারের কার্যপরিচালনার সাংবিধানিক নিয়ম স্থাপন করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের (রাজ্য শাসন) অনুচ্ছেদ 156 'রাজ্যপালের পদের মেয়াদ' নির্ধারণ করে। এটি রাজ্যের রাজ্যপালের নিয়োগ ও মেয়াদ, মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য মন্ত্রিসভার পরামর্শ, রাজ্যের অ্যাডভোকেট-জেনারেল এবং রাজ্য সরকারের কার্যপরিচালনার সাংবিধানিক নিয়ম স্থাপন করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের (রাজ্য শাসন) অনুচ্ছেদ 157 'রাজ্যপাল হিসেবে নিযুক্ত হওয়ার যোগ্যতা' নির্ধারণ করে। এটি রাজ্যের রাজ্যপালের নিয়োগ ও মেয়াদ, মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য মন্ত্রিসভার পরামর্শ, রাজ্যের অ্যাডভোকেট-জেনারেল এবং রাজ্য সরকারের কার্যপরিচালনার সাংবিধানিক নিয়ম স্থাপন করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের (রাজ্য শাসন) অনুচ্ছেদ 158 'রাজ্যপালের পদের শর্তাবলী' নির্ধারণ করে। এটি রাজ্যের রাজ্যপালের নিয়োগ ও মেয়াদ, মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য মন্ত্রিসভার পরামর্শ, রাজ্যের অ্যাডভোকেট-জেনারেল এবং রাজ্য সরকারের কার্যপরিচালনার সাংবিধানিক নিয়ম স্থাপন করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের (রাজ্য শাসন) অনুচ্ছেদ 159 'রাজ্যপাল কর্তৃক শপথ বা প্রতিজ্ঞা গ্রহণ' নির্ধারণ করে। এটি রাজ্যের রাজ্যপালের নিয়োগ ও মেয়াদ, মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য মন্ত্রিসভার পরামর্শ, রাজ্যের অ্যাডভোকেট-জেনারেল এবং রাজ্য সরকারের কার্যপরিচালনার সাংবিধানিক নিয়ম স্থাপন করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের (রাজ্য শাসন) অনুচ্ছেদ 160 'নির্দিষ্ট আকস্মিক পরিস্থিতিতে রাজ্যপালের কার্যাবলী সম্পাদন' নির্ধারণ করে। এটি রাজ্যের রাজ্যপালের নিয়োগ ও মেয়াদ, মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য মন্ত্রিসভার পরামর্শ, রাজ্যের অ্যাডভোকেট-জেনারেল এবং রাজ্য সরকারের কার্যপরিচালনার সাংবিধানিক নিয়ম স্থাপন করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের (রাজ্য শাসন) অনুচ্ছেদ 161 'দণ্ড ক্ষমা, স্থগিত বা হ্রাস করার ক্ষেত্রে রাজ্যপালের ক্ষমতা' নির্ধারণ করে। এটি রাজ্যের রাজ্যপালের নিয়োগ ও মেয়াদ, মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য মন্ত্রিসভার পরামর্শ, রাজ্যের অ্যাডভোকেট-জেনারেল এবং রাজ্য সরকারের কার্যপরিচালনার সাংবিধানিক নিয়ম স্থাপন করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের (রাজ্য শাসন) অনুচ্ছেদ 162 'রাজ্যের শাসনবিভাগীয় ক্ষমতার পরিধি' নির্ধারণ করে। এটি রাজ্যের রাজ্যপালের নিয়োগ ও মেয়াদ, মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য মন্ত্রিসভার পরামর্শ, রাজ্যের অ্যাডভোকেট-জেনারেল এবং রাজ্য সরকারের কার্যপরিচালনার সাংবিধানিক নিয়ম স্থাপন করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের (রাজ্য শাসন) অনুচ্ছেদ 163 'রাজ্যপালকে সাহায্য ও পরামর্শ দানের জন্য রাজ্য মন্ত্রিসভা' নির্ধারণ করে। এটি রাজ্যের রাজ্যপালের নিয়োগ ও মেয়াদ, মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য মন্ত্রিসভার পরামর্শ, রাজ্যের অ্যাডভোকেট-জেনারেল এবং রাজ্য সরকারের কার্যপরিচালনার সাংবিধানিক নিয়ম স্থাপন করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের (রাজ্য শাসন) অনুচ্ছেদ 164 'মন্ত্রীদের সম্পর্কিত অন্যান্য বিধান (মুখ্যমন্ত্রীর নিয়োগ ও বিধানসভার কাছে দায়বদ্ধতা)' নির্ধারণ করে। এটি রাজ্যের রাজ্যপালের নিয়োগ ও মেয়াদ, মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য মন্ত্রিসভার পরামর্শ, রাজ্যের অ্যাডভোকেট-জেনারেল এবং রাজ্য সরকারের কার্যপরিচালনার সাংবিধানিক নিয়ম স্থাপন করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের (রাজ্য শাসন) অনুচ্ছেদ 165 'রাজ্যের অ্যাডভোকেট-জেনারেল (Advocate-General)' নির্ধারণ করে। এটি রাজ্যের রাজ্যপালের নিয়োগ ও মেয়াদ, মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য মন্ত্রিসভার পরামর্শ, রাজ্যের অ্যাডভোকেট-জেনারেল এবং রাজ্য সরকারের কার্যপরিচালনার সাংবিধানিক নিয়ম স্থাপন করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের (রাজ্য শাসন) অনুচ্ছেদ 166 'রাজ্য সরকারের কার্যাবলী পরিচালনা' নির্ধারণ করে। এটি রাজ্যের রাজ্যপালের নিয়োগ ও মেয়াদ, মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য মন্ত্রিসভার পরামর্শ, রাজ্যের অ্যাডভোকেট-জেনারেল এবং রাজ্য সরকারের কার্যপরিচালনার সাংবিধানিক নিয়ম স্থাপন করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের (রাজ্য শাসন) অনুচ্ছেদ 167 'রাজ্যপালকে তথ্য প্রদান ইত্যাদি বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কর্তব্য' নির্ধারণ করে। এটি রাজ্যের রাজ্যপালের নিয়োগ ও মেয়াদ, মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য মন্ত্রিসভার পরামর্শ, রাজ্যের অ্যাডভোকেট-জেনারেল এবং রাজ্য সরকারের কার্যপরিচালনার সাংবিধানিক নিয়ম স্থাপন করে।