সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৫ম অধ্যায়ে অনুচ্ছেদ 227 রাজ্যের হাইকোর্টে 'অধস্তন সকল আদালতের ওপর হাইকোর্টের তত্ত্বাবধানের ক্ষমতা' বিষয়ে বিধান দেয়। এটি হাইকোর্টের গঠন, বিচারপতিদের নিয়োগ ও পদের নিরাপত্তা, কোর্ট অব রেকর্ড ক্ষমতা (২১৫), রিট জারির ক্ষমতা (২২৬) এবং রাজ্যের সকল নিম্ন আদালতের তদারকি (২২৭) নিশ্চিত করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৫ম অধ্যায়ে অনুচ্ছেদ 228 রাজ্যের হাইকোর্টে 'নির্দিষ্ট কিছু মামলা হাইকোর্টে স্থানান্তর' বিষয়ে বিধান দেয়। এটি হাইকোর্টের গঠন, বিচারপতিদের নিয়োগ ও পদের নিরাপত্তা, কোর্ট অব রেকর্ড ক্ষমতা (২১৫), রিট জারির ক্ষমতা (২২৬) এবং রাজ্যের সকল নিম্ন আদালতের তদারকি (২২৭) নিশ্চিত করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৫ম অধ্যায়ে অনুচ্ছেদ 229 রাজ্যের হাইকোর্টে 'হাইকোর্টের আধিকারিক, কর্মচারী এবং ব্যয়' বিষয়ে বিধান দেয়। এটি হাইকোর্টের গঠন, বিচারপতিদের নিয়োগ ও পদের নিরাপত্তা, কোর্ট অব রেকর্ড ক্ষমতা (২১৫), রিট জারির ক্ষমতা (২২৬) এবং রাজ্যের সকল নিম্ন আদালতের তদারকি (২২৭) নিশ্চিত করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৫ম অধ্যায়ে অনুচ্ছেদ 230 রাজ্যের হাইকোর্টে 'কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলসমূহে হাইকোর্টের এক্তিয়ার সম্প্রসারণ' বিষয়ে বিধান দেয়। এটি হাইকোর্টের গঠন, বিচারপতিদের নিয়োগ ও পদের নিরাপত্তা, কোর্ট অব রেকর্ড ক্ষমতা (২১৫), রিট জারির ক্ষমতা (২২৬) এবং রাজ্যের সকল নিম্ন আদালতের তদারকি (২২৭) নিশ্চিত করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৫ম অধ্যায়ে অনুচ্ছেদ 231 রাজ্যের হাইকোর্টে 'দুই বা ততোধিক রাজ্যের জন্য একটি সাধারণ হাইকোর্ট স্থাপন' বিষয়ে বিধান দেয়। এটি হাইকোর্টের গঠন, বিচারপতিদের নিয়োগ ও পদের নিরাপত্তা, কোর্ট অব রেকর্ড ক্ষমতা (২১৫), রিট জারির ক্ষমতা (২২৬) এবং রাজ্যের সকল নিম্ন আদালতের তদারকি (২২৭) নিশ্চিত করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৬ষ্ঠ অধ্যায়ে (অধস্তন আদালত) অনুচ্ছেদ 233 'জেলা জজদের (District Judges) নিয়োগ' নির্ধারণ করে। এটি জেলা জজ ও নিম্ন আদালতের বিচারকদের নিয়োগ, পদোন্নতি ও শৃঙ্খলাজনিত নিয়ন্ত্রণ রাজনৈতিক প্রভাব থেকে মুক্ত রেখে সরাসরি হাইকোর্টের অধীনে ন্যস্ত করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৬ষ্ঠ অধ্যায়ে (অধস্তন আদালত) অনুচ্ছেদ 233A 'নির্দিষ্ট কিছু জেলা জজের নিয়োগ ও প্রদত্ত রায়ের বৈধকরণ' নির্ধারণ করে। এটি জেলা জজ ও নিম্ন আদালতের বিচারকদের নিয়োগ, পদোন্নতি ও শৃঙ্খলাজনিত নিয়ন্ত্রণ রাজনৈতিক প্রভাব থেকে মুক্ত রেখে সরাসরি হাইকোর্টের অধীনে ন্যস্ত করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৬ষ্ঠ অধ্যায়ে (অধস্তন আদালত) অনুচ্ছেদ 234 'জেলা জজ ব্যতীত বিচারবিভাগীয় পরিষেবায় অন্যান্য ব্যক্তিদের নিয়োগ' নির্ধারণ করে। এটি জেলা জজ ও নিম্ন আদালতের বিচারকদের নিয়োগ, পদোন্নতি ও শৃঙ্খলাজনিত নিয়ন্ত্রণ রাজনৈতিক প্রভাব থেকে মুক্ত রেখে সরাসরি হাইকোর্টের অধীনে ন্যস্ত করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৬ষ্ঠ অধ্যায়ে (অধস্তন আদালত) অনুচ্ছেদ 235 'অধস্তন আদালতসমূহের ওপর হাইকোর্টের নিয়ন্ত্রণ' নির্ধারণ করে। এটি জেলা জজ ও নিম্ন আদালতের বিচারকদের নিয়োগ, পদোন্নতি ও শৃঙ্খলাজনিত নিয়ন্ত্রণ রাজনৈতিক প্রভাব থেকে মুক্ত রেখে সরাসরি হাইকোর্টের অধীনে ন্যস্ত করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৬ষ্ঠ অধ্যায়ে (অধস্তন আদালত) অনুচ্ছেদ 236 'ব্যাখ্যা (অধস্তন আদালত সংক্রান্ত সংজ্ঞা)' নির্ধারণ করে। এটি জেলা জজ ও নিম্ন আদালতের বিচারকদের নিয়োগ, পদোন্নতি ও শৃঙ্খলাজনিত নিয়ন্ত্রণ রাজনৈতিক প্রভাব থেকে মুক্ত রেখে সরাসরি হাইকোর্টের অধীনে ন্যস্ত করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৬ষ্ঠ অধ্যায়ে (অধস্তন আদালত) অনুচ্ছেদ 237 'নির্দিষ্ট শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটদের ক্ষেত্রে এই অধ্যায়ের বিধানসমূহের প্রয়োগ' নির্ধারণ করে। এটি জেলা জজ ও নিম্ন আদালতের বিচারকদের নিয়োগ, পদোন্নতি ও শৃঙ্খলাজনিত নিয়ন্ত্রণ রাজনৈতিক প্রভাব থেকে মুক্ত রেখে সরাসরি হাইকোর্টের অধীনে ন্যস্ত করে।
অনুচ্ছেদ 238 (প্রথম তফসিলের খ-ভাগের রাজ্যসমূহে ষষ্ঠ ভাগের প্রয়োগ (৭ম সংশোধনী দ্বারা রদকৃত)) সংবিধানের Part VII-এর অন্তর্ভুক্ত ছিল, কিন্তু সংসদ সংবিধান (Seventh Amendment (1956)) আইন দ্বারা এটি বাতিল (Omitted/Repealed) করেছে। সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা ও ঐতিহাসিক রেফারেন্সের জন্য মূল সংহিতায় এর ক্রমিক নম্বরটি সংরক্ষিত রয়েছে।
সংবিধানের ৮ম অংশের (কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল) অনুচ্ছেদ 239 'কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলসমূহের প্রশাসন' নির্ধারণ করে। এটি প্রশাসক বা উপ-রাজ্যপালের মাধ্যমে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের শাসন, পুদুচেরি (২৩৯এ) ও দিল্লি জাতীয় রাজধানী অঞ্চলে (২৩৯এএ) নির্বাচিত বিধানসভা ও মন্ত্রিসভা এবং হাইকোর্টের এখতিয়ার (২৪১) পরিচালনা করে।
সংবিধানের ৮ম অংশের (কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল) অনুচ্ছেদ 239A 'নির্দিষ্ট কিছু কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের জন্য স্থানীয় আইনসভা বা মন্ত্রিসভা বা উভয়ই গঠন' নির্ধারণ করে। এটি প্রশাসক বা উপ-রাজ্যপালের মাধ্যমে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের শাসন, পুদুচেরি (২৩৯এ) ও দিল্লি জাতীয় রাজধানী অঞ্চলে (২৩৯এএ) নির্বাচিত বিধানসভা ও মন্ত্রিসভা এবং হাইকোর্টের এখতিয়ার (২৪১) পরিচালনা করে।
সংবিধানের ৮ম অংশের (কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল) অনুচ্ছেদ 239B 'আইনসভার অধিবেশন না থাকাকালীন অধ্যাদেশ জারির প্রশাসকের ক্ষমতা' নির্ধারণ করে। এটি প্রশাসক বা উপ-রাজ্যপালের মাধ্যমে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের শাসন, পুদুচেরি (২৩৯এ) ও দিল্লি জাতীয় রাজধানী অঞ্চলে (২৩৯এএ) নির্বাচিত বিধানসভা ও মন্ত্রিসভা এবং হাইকোর্টের এখতিয়ার (২৪১) পরিচালনা করে।
সংবিধানের ৮ম অংশের (কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল) অনুচ্ছেদ 239AA 'দিল্লি সম্পর্কিত বিশেষ বিধান (জাতীয় রাজধানী অঞ্চল)' নির্ধারণ করে। এটি প্রশাসক বা উপ-রাজ্যপালের মাধ্যমে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের শাসন, পুদুচেরি (২৩৯এ) ও দিল্লি জাতীয় রাজধানী অঞ্চলে (২৩৯এএ) নির্বাচিত বিধানসভা ও মন্ত্রিসভা এবং হাইকোর্টের এখতিয়ার (২৪১) পরিচালনা করে।
সংবিধানের ৮ম অংশের (কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল) অনুচ্ছেদ 239AB 'সাংবিধানিক ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার ক্ষেত্রে বিধান' নির্ধারণ করে। এটি প্রশাসক বা উপ-রাজ্যপালের মাধ্যমে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের শাসন, পুদুচেরি (২৩৯এ) ও দিল্লি জাতীয় রাজধানী অঞ্চলে (২৩৯এএ) নির্বাচিত বিধানসভা ও মন্ত্রিসভা এবং হাইকোর্টের এখতিয়ার (২৪১) পরিচালনা করে।
সংবিধানের ৮ম অংশের (কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল) অনুচ্ছেদ 240 'নির্দিষ্ট কিছু কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের জন্য প্রবিধান প্রণয়নের রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা' নির্ধারণ করে। এটি প্রশাসক বা উপ-রাজ্যপালের মাধ্যমে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের শাসন, পুদুচেরি (২৩৯এ) ও দিল্লি জাতীয় রাজধানী অঞ্চলে (২৩৯এএ) নির্বাচিত বিধানসভা ও মন্ত্রিসভা এবং হাইকোর্টের এখতিয়ার (২৪১) পরিচালনা করে।
সংবিধানের ৮ম অংশের (কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল) অনুচ্ছেদ 241 'কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলসমূহের জন্য হাইকোর্ট' নির্ধারণ করে। এটি প্রশাসক বা উপ-রাজ্যপালের মাধ্যমে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের শাসন, পুদুচেরি (২৩৯এ) ও দিল্লি জাতীয় রাজধানী অঞ্চলে (২৩৯এএ) নির্বাচিত বিধানসভা ও মন্ত্রিসভা এবং হাইকোর্টের এখতিয়ার (২৪১) পরিচালনা করে।
৭৩তম সংবিধান সংশোধনীর (১৯৯২) মাধ্যমে সংযোজিত ৯ম অংশের (পঞ্চায়েত) অনুচ্ছেদ 243 'পঞ্চায়েতি রাজ সংক্রান্ত সংজ্ঞা' পরিচালনা করে। এটি গ্রাম সভা, ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত গঠন, নারী ও তপশিলি জাতি/উপজাতিদের আসন সংরক্ষণ, ৫ বছরের মেয়াদ, অর্থ কমিশন এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে পঞ্চায়েত নির্বাচনের সাংবিধানিক নিশ্চয়তা দেয়।
৭৩তম সংবিধান সংশোধনীর (১৯৯২) মাধ্যমে সংযোজিত ৯ম অংশের (পঞ্চায়েত) অনুচ্ছেদ 243A 'গ্রাম সভা' পরিচালনা করে। এটি গ্রাম সভা, ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত গঠন, নারী ও তপশিলি জাতি/উপজাতিদের আসন সংরক্ষণ, ৫ বছরের মেয়াদ, অর্থ কমিশন এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে পঞ্চায়েত নির্বাচনের সাংবিধানিক নিশ্চয়তা দেয়।
৭৩তম সংবিধান সংশোধনীর (১৯৯২) মাধ্যমে সংযোজিত ৯ম অংশের (পঞ্চায়েত) অনুচ্ছেদ 243B 'পঞ্চায়েতসমূহের গঠন' পরিচালনা করে। এটি গ্রাম সভা, ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত গঠন, নারী ও তপশিলি জাতি/উপজাতিদের আসন সংরক্ষণ, ৫ বছরের মেয়াদ, অর্থ কমিশন এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে পঞ্চায়েত নির্বাচনের সাংবিধানিক নিশ্চয়তা দেয়।
৭৩তম সংবিধান সংশোধনীর (১৯৯২) মাধ্যমে সংযোজিত ৯ম অংশের (পঞ্চায়েত) অনুচ্ছেদ 243C 'পঞ্চায়েতসমূহের কাঠামো' পরিচালনা করে। এটি গ্রাম সভা, ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত গঠন, নারী ও তপশিলি জাতি/উপজাতিদের আসন সংরক্ষণ, ৫ বছরের মেয়াদ, অর্থ কমিশন এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে পঞ্চায়েত নির্বাচনের সাংবিধানিক নিশ্চয়তা দেয়।
৭৩তম সংবিধান সংশোধনীর (১৯৯২) মাধ্যমে সংযোজিত ৯ম অংশের (পঞ্চায়েত) অনুচ্ছেদ 243D 'পঞ্চায়েতে আসন সংরক্ষণ (মহিলা, SC ও ST-দের জন্য)' পরিচালনা করে। এটি গ্রাম সভা, ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত গঠন, নারী ও তপশিলি জাতি/উপজাতিদের আসন সংরক্ষণ, ৫ বছরের মেয়াদ, অর্থ কমিশন এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে পঞ্চায়েত নির্বাচনের সাংবিধানিক নিশ্চয়তা দেয়।
৭৩তম সংবিধান সংশোধনীর (১৯৯২) মাধ্যমে সংযোজিত ৯ম অংশের (পঞ্চায়েত) অনুচ্ছেদ 243E 'পঞ্চায়েতসমূহের মেয়াদ ইত্যাদি (৫ বছরের কার্যকাল)' পরিচালনা করে। এটি গ্রাম সভা, ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত গঠন, নারী ও তপশিলি জাতি/উপজাতিদের আসন সংরক্ষণ, ৫ বছরের মেয়াদ, অর্থ কমিশন এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে পঞ্চায়েত নির্বাচনের সাংবিধানিক নিশ্চয়তা দেয়।
৭৩তম সংবিধান সংশোধনীর (১৯৯২) মাধ্যমে সংযোজিত ৯ম অংশের (পঞ্চায়েত) অনুচ্ছেদ 243F 'সদস্যপদের অযোগ্যতাসমূহ' পরিচালনা করে। এটি গ্রাম সভা, ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত গঠন, নারী ও তপশিলি জাতি/উপজাতিদের আসন সংরক্ষণ, ৫ বছরের মেয়াদ, অর্থ কমিশন এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে পঞ্চায়েত নির্বাচনের সাংবিধানিক নিশ্চয়তা দেয়।
৭৩তম সংবিধান সংশোধনীর (১৯৯২) মাধ্যমে সংযোজিত ৯ম অংশের (পঞ্চায়েত) অনুচ্ছেদ 243G 'পঞ্চায়েতসমূহের ক্ষমতা, কর্তৃত্ব ও দায়িত্ব' পরিচালনা করে। এটি গ্রাম সভা, ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত গঠন, নারী ও তপশিলি জাতি/উপজাতিদের আসন সংরক্ষণ, ৫ বছরের মেয়াদ, অর্থ কমিশন এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে পঞ্চায়েত নির্বাচনের সাংবিধানিক নিশ্চয়তা দেয়।
৭৩তম সংবিধান সংশোধনীর (১৯৯২) মাধ্যমে সংযোজিত ৯ম অংশের (পঞ্চায়েত) অনুচ্ছেদ 243H 'পঞ্চায়েত কর্তৃক কর আরোপের ক্ষমতা এবং তহবিল' পরিচালনা করে। এটি গ্রাম সভা, ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত গঠন, নারী ও তপশিলি জাতি/উপজাতিদের আসন সংরক্ষণ, ৫ বছরের মেয়াদ, অর্থ কমিশন এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে পঞ্চায়েত নির্বাচনের সাংবিধানিক নিশ্চয়তা দেয়।
৭৩তম সংবিধান সংশোধনীর (১৯৯২) মাধ্যমে সংযোজিত ৯ম অংশের (পঞ্চায়েত) অনুচ্ছেদ 243I 'আর্থিক অবস্থা পর্যালোচনার জন্য রাজ্য অর্থ কমিশন গঠন' পরিচালনা করে। এটি গ্রাম সভা, ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত গঠন, নারী ও তপশিলি জাতি/উপজাতিদের আসন সংরক্ষণ, ৫ বছরের মেয়াদ, অর্থ কমিশন এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে পঞ্চায়েত নির্বাচনের সাংবিধানিক নিশ্চয়তা দেয়।
৭৩তম সংবিধান সংশোধনীর (১৯৯২) মাধ্যমে সংযোজিত ৯ম অংশের (পঞ্চায়েত) অনুচ্ছেদ 243J 'পঞ্চায়েতের হিসাব নিরীক্ষা (Audit)' পরিচালনা করে। এটি গ্রাম সভা, ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত গঠন, নারী ও তপশিলি জাতি/উপজাতিদের আসন সংরক্ষণ, ৫ বছরের মেয়াদ, অর্থ কমিশন এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে পঞ্চায়েত নির্বাচনের সাংবিধানিক নিশ্চয়তা দেয়।