অনুচ্ছেদ 170 (বিধানসভার গঠন): ৬ষ্ঠ অংশের অধীনে রাজ্য আইনসভার (বিধানসভা ও বিধান পরিষদ) গঠন, কার্যপ্রণালী ও আইন পাসের নিয়মাবলী।
সহজ নাগরিক ভাষায় অর্থ
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 170 'বিধানসভার গঠন' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
প্রধান সাংবিধানিক বিধান ও মূল বিষয়
সাংবিধানিক বিধান (অনুচ্ছেদ 170): Part VI-এর অধীনে 'বিধানসভার গঠন' বিষয়ে বাধ্যতামূলক আইনি নিয়ম নির্ধারণ করে
এতে 4টি দফা (Clauses) ও 1টি উপ-দফা এবং সুনির্দিষ্ট সাংবিধানিক শর্তাবলী (Provisos) অন্তর্ভুক্ত রয়েছে
স্বেচ্ছাচারী প্রশাসনিক আদেশের পরিবর্তে সংসদের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও জবাবদিহিতা বাধ্যতামূলক করে
ব্যতিক্রম ও যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ (সীমাবদ্ধতা)
রাজ্য বিধানসভা সপ্তম তফসিলের রাজ্য তালিকা ও যুগ্ম তালিকার পরিধির মধ্যে আইন প্রণয়ন করতে পারে এবং মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করতে পারে না।
দৈনন্দিন জীবনে এটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?
আপনার নির্বাচিত বিধায়কদের (MLA) মাধ্যমে রাজ্য স্তরে স্বচ্ছ আইন প্রণয়ন ও রাজ্য বাজেটের ওপর জনগণের নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করে।
আরও গভীরে পড়তে চান? সরকারি গেজেট পাঠ অথবা সুপ্রিম কোর্টের রায় ও গণপরিষদ বিতর্ক দেখুন:
অনুচ্ছেদ 170 প্রণয়নের প্রেক্ষাপট: জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত রাজ্য বিধানসভাকে (Vidhan Sabha) রাজ্যের আইন ও বাজেটের ওপর सर्वोच्च ক্ষমতা প্রদান এবং বিধান পরিষদ গঠন বা বিলোপের নমনীয়তা রাখা।
“
"প্রাপ্তবয়স্ক ভোটাধিকারে সরাসরি নির্বাচিত বিধানসভা প্রতিটি রাজ্যে জনগণের প্রধান গণতান্ত্রিক মঞ্চ, যা রাজ্য সরকারকে প্রতিটি আইন ও অর্থের জন্য দায়বদ্ধ রাখে।"
সংবিধান সভার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও প্রয়োগ
অনুচ্ছেদ 170-এর মাধ্যমে গৃহীত সিদ্ধান্ত: অনুচ্ছেদ ১৬৮-২১৩ এর অধীনে রাজ্য আইনসভার কার্যপ্রণালী, বাজেট প্রক্রিয়া, বিধান পরিষদের নমনীয় বিধান (১৬৯) এবং বিলে সম্মতির (২০০) নিয়মাবলী বিধিবদ্ধ করা হয়।
🏛️ সাংবিধানিক তাৎপর্য:
গণপরিষদের বিতর্কে অনুচ্ছেদ 170-কে ভারতের সাংবিধানিক কাঠামোর একটি অপরিহার্য স্তম্ভ হিসেবে বিধিবদ্ধ করা হয়।
সরকারি সাংবিধানিক মূল পাঠ (গেজেট বেয়ার অ্যাক্ট)
সংসদ কর্তৃক প্রণীত ও সংশোধিত প্রামাণিক আইনি পাঠ • দফা-ভিত্তিক (Clause-by-Clause) আইনি বিশ্লেষণ
India Code • Govt. of India Archive
দ্রষ্টব্য: সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৪৮(১)(বি) অনুযায়ী বিচারবিভাগীয় নির্ভুলতার জন্য মূল বিধিবদ্ধ পাঠ ইংরেজিতে সংরক্ষিত, তবে এর সম্পূর্ণ সহজ বাংলা ব্যাখ্যা প্রথম ট্যাবে (নাগরিক দৃষ্টি) দেওয়া হয়েছে।
Clause (1)
Subject to the provisions of article 333, the Legislative Assembly of each State shall consist of not more than five hundred, and not less than sixty, members chosen by direct election from territorial constituencies in the State.
Clause (2)
For the purposes of clause (1), each State shall be divided into territorial constituencies in such manner that the ratio between the population of each constituency and the number of seats allotted to it shall, so far as practicable, be the same throughout the State.
Explanation.—In this clause, the expression “population” means the population as ascertained at the last preceding census of which the relevant figures have been published:
Provided that the reference in this Explanation to the last preceding census of which the relevant figures have been published published shall, until the relevant figures for the first census taken after the year 2026 have been published, be construed as a reference to the 2001 census.
Clause (3)
Upon the completion of each census, the total number of seats in the Legislative Assembly of each State and the division of each State into territorial constituencies shall be readjusted by such authority and in such manner as Parliament may by law determine:
Provided that such readjustment shall not affect representation in the Legislative Assembly until the dissolution of the then existing Assembly:
Provided further that such readjustment shall take effect from such date as the President may, by order, specify and until such readjustment takes effect, any election to the Legislative Assembly may be held on the basis of the territorial constituencies existing before such readjustment:
Provided also that until the relevant figures for the first census taken after the year 2026 have been published, it shall not be necessary to readjust— (i) the total number of seats in the Legislative Assembly of each State as readjusted on the basis of the 1971 census; and (ii) the division of such State into territorial constituencies as may be readjusted on the basis of the 2001 census, under this clause.
পাবলিক ডোমেইন (Public Domain) ও বিধিবদ্ধ প্রামাণিকতা বিজ্ঞপ্তি
ভারতীয় কপিরাইট আইন, ১৯৫৭-এর ধারা ৫২(১)(কিউ) অনুযায়ী ভারতের সংবিধান, সংসদের আইন, সরকারি গেজেট এবং সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্টের রায়সমূহ পাবলিক ডোমেইনের (Public Domain) অন্তর্ভুক্ত। এই পাঠ্যটি ভারত সরকারের আইন ও বিচার মন্ত্রকের লেজিসলেটিভ ডিপার্টমেন্টের (India Code) সরকারি আর্কাইভ থেকে সংগৃহীত।
তখন বনাম এখন: সাংবিধানিক পরিবর্তন ও ভিজ্যুয়াল ডিফারেন্স
বিধানসভার গঠন
🟡 ১৯৫০-এর পর সংশোধিত (Amended Since 1950)
Baseline: Jan 26, 1950 → Today
মূল সংবিধান (১৯৫০ ভিত্তি)
২৬ জানুয়ারি ১৯৫০ সালে গণপরিষদ কর্তৃক মূল ৩৯৫টি অনুচ্ছেদের অংশ হিসেবে প্রণীত (বিধানসভার গঠন)। সময়ের সাথে গণতান্ত্রিক প্রয়োজনে এতে 2টি সাংবিধানিক সংশোধনী আনা হয়েছে।
বর্তমান কার্যকর আইন (আজকের অবস্থা)
সংশোধিত বিধানসহ বর্তমানে সম্পূর্ণ কার্যকর: অনুচ্ছেদ 170 (বিধানসভার গঠন): ৬ষ্ঠ অংশের অধীনে রাজ্য আইনসভার (বিধানসভা ও বিধান পরিষদ) গঠন, কার্যপ্রণালী ও আইন পাসের নিয়মাবলী।
প্রধান সংশোধনী ও শব্দগত পরিবর্তন
84তম সংবিধান সংশোধনী আইন, 2001 — জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণকারী রাজ্যগুলির স্বার্থে লোকসভা আসন ২০২৬ পর্যন্ত স্থির
Year 2001
কেন হয়েছিল: যে রাজ্যগুলি জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সাফল্য দেখিয়েছে তাদের লোকসভা আসন যাতে কমে না যায়, সেজন্য ২০২৬ সাল পর্যন্ত আসন সংখ্যা স্থির রাখা হয়।
Amended (82, 170): জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণকারী রাজ্যগুলির স্বার্থে লোকসভা আসন ২০২৬ পর্যন্ত স্থির
87তম সংবিধান সংশোধনী আইন, 2003 — ২০০১ সালের জনগণনার ভিত্তিতে নির্বাচনী কেন্দ্রের সীমানা পুনর্বিন্যাস
Year 2003
কেন হয়েছিল: রাজ্যের মোট আসন অপরিবর্তিত রেখে ২০০১ সালের জনসংখ্যার ভিত্তিতে অভ্যন্তরীণ নির্বাচনী ক্ষেত্র ও SC/ST আসন পুনর্বিন্যাসের নিয়ম করা হয়।
Amended (81, 82, 170, 330): ২০০১ সালের জনগণনার ভিত্তিতে নির্বাচনী কেন্দ্রের সীমানা পুনর্বিন্যাস